আশুলিয়ায় গুলি ও বোমা ফাটিয়ে ব্যাংক ডাকাতির ঘটনায় জঙ্গী গোষ্ঠী সম্পৃক্ত থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।
তিনি আজ বুধবার বিকেলে আশুলিয়ার কাঠগড়া বাজারে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের ডাকাতির হওয়া শাখা পরিদর্শনের গিয়ে এ মন্তব্য করেন।
এ সময় ডাকাতির ঘটনাটি অধিকতরভাবে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের অনেক জায়গাতেই ডাকাতি হয়। আমি অনেক লুটতরাজ দেখেছি। কিন্তু এই ঘটনাটি আমার নিকট ভিন্ন একটি ঘটনা মনে হচ্ছে।’
তিরি আরো বলেন, ‘ডাকাতদের উদ্দেশ্য কি ছিল? হত্যাকাণ্ড দেখে সেগুলো এখন প্রশ্নবিদ্ধ। এখানে গ্রাহককে মারা হয়েছে। ম্যানেজার, সিকিউরিটি গার্ডকে মারা হয়েছে। আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার ও কুপিয়ে সবাইকে হত্যা করা হয়েছে। এই বর্ববোরোচিত হত্যাকাণ্ডের তুলনা নেই বাংলাদেশে। তবে আমি এলাকাবাসীকে ধন্যবাদ জানাই। যারা ডাকাতদের প্রতিরোধ করেছেন। সমাজে এখনও ভালো মানুষ রয়েছে। যারা কিনা ডাকাতদের ধাওয়া দিয়েছে, এটি প্রশংসনীয়। এই সাহসী ব্যক্তিরা সমাজে আছে বলেই এখনও সমাজ টিকে রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘ডাকাতরা বের হয়ে যাওয়ার সময় জনতা তাদের ধাওয়া দিয়ে আটক করায় পুলিশ ডাকাতদের ধরতে পেরেছে। আটককৃত ডাকাতের কাছ থেকে আমরা যে তথ্য পেয়েছি তাতে মনে হচ্ছে এটি শুধু টাকা লুটের জন্য ঘটানো হয়নি। এর পিছনে অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে। সেই কারণ কি তা শিগগিরই উদঘাটন করা হবে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘ডাকাতরা যে সমস্ত বোমা ব্যবহার করেছে সেগুলো উন্নত মানের। এগুলো বাংলাদেশে একটি গোষ্ঠী এক সময় ব্যবহার করেছে। তাদের সঙ্গে ডাকাতদের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে আমরা ধারণা করছি।’
এরপরই তিনি বলেন, ‘আটক ডাকাতের দেওয়া তথ্য মোতাবেক অভিযান চালিয়ে ডাকাতদের আস্তানা থেকে কিছু জিহাদি বই উদ্ধার করা হয়েছে। আরো জোর তদন্ত চলছে। কারা কারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের সবাইকে শিগগিরই চিহ্নিত করা হবে।’
এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পুলিশের মহাপরিদর্শক শহীদুল হক, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি নুরুজ্জামান, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানসহ পুলিশের ঊর্ধতন কর্মকর্তারা।
জেআই





