রাজধানীর খিলগাঁওয়ে নারী পুলিশ কনস্টেবলকে ধর্ষনের ঘটনায় প্রমান মিলেছে। তবে এটি গ্যাং রেপ নয়। একজনের আলামত পাওয়া গেছে। তবে সংশ্লিষ্ট থানা থেকে এখনও কেউ আসেনি।
মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিসের (ওসিসি) সমন্বয় ডা. বিলকিছ বেগম এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, নারী পুলিশ কনস্টেবলকে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। তবে সংশ্লিষ্ট থানা থেকে এখনও কেউ আসেনি। থানা থেকে পুলিশ এলে রিপোর্টটি তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এর আগে গত ১৩জুন রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় এক নারী পুলিশ কনস্টেবলকে (২৫) গণধর্ষণ করার অভিযোগ উঠে ওই থানার প্রাক্তন এএসআই কলিমুর রহমানের বিরুদ্ধে। তুরাগ থানায় কর্মরত ওই নারী পুলিশ কনস্টেবল এ অভিযোগ করেন।
গত বুধবার রাতে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। শনিবার দুপুরে ওই নারীকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে(ওসিসি) ভর্তি করা হয়।
ভুক্তভোগী ওই নারীর বরাত দিয়ে তার বোন এ্যাডভোকেট নাসরিন আক্তার জানান, প্রায় চার-পাঁচ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েকমাস পর থেকে কলিমুর রহমান ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতে থাকেন।
একপর্যায়ে তিনি স্ত্রীকে পুলিশের চাকরিটাও ছেড়ে দিতে বলেন। এরই মধ্যে তাদের একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। এ অবস্থায় প্রায় বছরখানেক আগে তাদের মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত বছর নভেম্বর মাসের ২৮ তারিখ কলিমুর তার কয়েকজন বন্ধু নিয়ে তাদের গাজীপুরের জয়দেবপুরে চাকুলিয়ার বাড়িতে ভাঙচুর করে মেয়েকে নিয়ে আসে।
নাসরিন আক্তার আরো জানান, গত ১০ জুন (বুধবার) তার বোন রাজারবাগ পুলিশ লাইনে এলে মেয়েকে দেখানোর প্রলোভন দিয়ে তাকে খিলগাঁও তিলপাপাড়ার একটি বাসায় যেতে বলেন প্রাক্তন স্বামী কলিমুর।
কাজ শেষে ওই বাসায় যাওয়ার পথে চার বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে এএসআই কলিমুর তাকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে তিলপাড়ার একটি বাসায় নিয়ে গণধর্ষণ করেন। তবে ওই এএসআই এখন কোথায় কর্মরত তা বলতে পারেননি তিনি।
নাসরিন আক্তার এও জানান, খিলগাঁওয়ের ওই বাসা থেকে কৌশলে বেরিয়ে সেখানে তাদের এক আত্মীয়ের বাসায় গিয়ে তাদের সহায়তায় রাজারবাগ পুলিশ লাইন হাসপাতালে ভর্তি হন তার কনস্টেবল বোন। এরপর শনিবার ঢামেক হাসপাতালের ওসিসিতে আসেন।
এমআর/এমকে





