কুমিল্লায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৬তম জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠান জাতীয়ভাবে উদযাপিত হচ্ছে । এ উপলক্ষে সোমবার কুমিল্লা টাউন হল মাঠে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে কুমিল্লাকে বিভাগ ঘোষণা করবেন।
আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে ইতিমধ্যেই কুমিল্লাবাসী বিভিন্ন দাবি তুলেছে। কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়ন পরিষদের দাবি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুমিল্লাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিভাগ ঘোষণা দেবেন।
অপরদিকে, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ ও লাকসামের একাংশ নিয়ে লালমাই উপজেলা ও মুরাদনগরের একাংশ নিয়ে কাজী নজরুল উপজেলার দাবি জানানো হবে।
প্রধানমন্ত্রীর কুমিল্লায় আগমন উপলক্ষে জেলার সর্বত্র এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, সাংস্কৃতিক কর্মী ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী আগমন উপলক্ষে এরই মধ্যে পুরো জেলাকে গোয়েন্দা নজরদারিতে নিয়ে আসা হয়েছে। অনুষ্ঠানের সার্বিক প্রস্ততি প্রতিদিন পরিদর্শন করছেন এসএসএফসহ উচ্চপদস্থ গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে নগরীর বিভিন্ন স্থানে নজরুল স্মৃতিচিহ্নগুলো ব্যাপকভাবে সংস্কার করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে নগরীর টাউন হল মাঠে ৩ হাজার ২৪ বর্গফুট মঞ্চ নির্মাণ প্রায় শেষ পর্যায়ে। ৫ হাজার লোকের ধারণক্ষমতা সম্পন্ন একটি আধুনিক প্যাণ্ডেলও তৈরি করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচারের জন্য নগরজুড়ে লাগানো হবে অর্ধশতাধিক মাইক। সরাসরি অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্য মহানগরীর নজরুল এভিনিউ, লাকসাম রোড, বাদুরতলা ও সাত্তার খান শপিং কমপ্লেক্সের সামনে ৯৬ বর্গফুটের ৪টি এলইডি টিভি মনিটর বসানো হচ্ছে।
জেলা তথ্য কর্মকর্তা মীর হোসেন আহসানুল কবীর জানান, ২৫, ২৬ ও ২৭ মে কুমিল্লায় তিন দিনব্যাপী জাতীয় কবির জন্মবার্ষিকীর কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
২৫ মে, প্রধানমন্ত্রী কুমিল্লা টাউন হলের মাঠে জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন। জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠানের আগে ওই মাঠের ভাষা সৈনিক রফিকুল ইসলাম মঞ্চে ১০টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৭টি প্রকল্পের ভিত্তি স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এসব প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪৩ কোটি ৩৪ লাখ ৭৭ হাজার টাকা।
এ বিষয়ে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক হাসানুজ্জামান কল্লোল বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী আগমন উপলক্ষে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়েছে।
এমকে





