যশোর কোতোয়ালি থানার ওসির অপসারণের দাবিতে ছুরিকাঘাতে নিহত কলেজছাত্র সাইফুল্লাহর লাশ নিয়ে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা ছাত্রলীগের একাংশ।
জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আরিফুল ইসলাম রিয়াদের নেতৃত্বে মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে লাশ নিয়ে শহরে মিছিল ও সমাবেশ করা হয়।
মিছিলকারীরা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দায়ে কোতোয়ালি থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) ইনামুল হকের অপসারণের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেয়। পরে তারা শহরের দড়াটানা মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে।
ছাত্রলীগ সভাপতির নেতৃত্বাধীন অংশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির অভিযোগ তুলে বেশ কিছুদিন ধরে কোতোয়ালি থানার ওসির অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ করে আসছে।
জানতে চাইলে ওসি ইনামুল হক বলেন, ‘আমাকে অপসারণ করুক। তাহলে বেঁচে যাই।’এদিকে সাইফুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত থানায় মামলা হয়নি।
এ বিষয়ে ওসি বলেন, ‘কারা এ ঘটনায় যুক্ত তা আঁচ করতে পারছি। তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম প্রকাশ করা যাবে না।’
এক প্রশ্নের জবাবে ইনামুল হক বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডে যাদের নাম আসছে, তারা সবাই ছিনতাইকারী।’
অবশ্য যশোর পুলিশের মুখপাত্র ও সদর সার্কেলের সিনিয়র এএসপি রেশমা শারমিন দাবি করেছেন, ছিনতাইকারীরা সাইফুল্লাহকে খুন করেনি।
উল্লেখ্য, সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কাছে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে সাইফুল্লাহ নামে এক কলেজছাত্র নিহত হন। সাইফুল্লাহ কোনো ছাত্রসংগঠন করতেন না। তিনি উপশহর ডিগ্রি কলেজের ছাত্র ছিলেন। সাইফুল্লাহ মণিরামপুর উপজেলার মোবারকপুর গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে।
কেএইচ





