চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মায় ভাঙন শুরু হওয়ায় হুমকীর মুখে পড়েছে সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের গোয়ালডুবি এলাকায় ১৫ কোটি টাকায় ব্যয়ে সদ্য নির্মিত তীর সংরক্ষণ প্রকল্প।
পাশাপাশি বসত ভিটা, ফসলি জমি ও আম বাগান হারানোর আশঙ্কায় দিন কাটছে এলাকাবাসীর। এই অবস্থায় ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে। ভাঙন কবলিত পদ্মা নদীর বামতীরে বাংলাদেশ ও ডান তীরে ভারত সীমানা।
এলাকাবাসীর আশঙ্কা এভাবে নদী ভাঙন অব্যাহত থাকলে ভারতে চর জেগে উঠবে এবং বাংলাদেশি ভূখন্ড বিলীন হয়ে যাবে। জানা গেছে, প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে গোয়ালডুবির ১৫০০ মিটার নদী তীরের মধ্যে জিও ব্যাগ ও ব্লক ফেলে তীর সংরক্ষণের ওই প্রকল্পে ৬০০ মিটারে বাঁধ দেওয়া হয়েছে গত অর্থ বছরে।
কিন্তু স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদাসীনতায় বাকি কাজের প্রকল্প সময় মতো না নেওয়ায় ওই প্রকল্পের শেষ পয়েন্ট থেকে বাম তীরে পদ্মার ভাঙন শুরু হয়েছে। ফলে আগের প্রকল্পটি পড়েছে হুমকির মুখে। নদীর বাম তীরের অরক্ষিত ৯০০ মিটারের মধ্যে প্রায় দেড়শ মিটার জুড়ে চলছে ভাঙন। নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে ফসলি জমি ও আম বাগান।
গত এক সপ্তাহে ভাঙতে ভাঙতে পদ্মা নদী প্রায় ২০০ মিটার ভেতরে চলে এসেছে। আগের প্রকল্পের ঠিকাদার মাইনুল ইসলাম ও আব্দুর রাকিব জানান, প্রকল্পের কাজ রক্ষা করতে অরক্ষিত স্থানে নতুন প্রকল্প গ্রহণ করার জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন তারা। কিন্তু কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে এখনো কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুস সাত্তার জানান, সদ্য সমাপ্ত পদ্মার বাম তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের পাশ ঘেঁষেই নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। আর তা যদি অব্যাহত থাকে তাহলে ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। শুধু তাই নয় অনতিবিলম্বে কাজ শুরু না হলে চরাঞ্চলের বিশাল এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ঢাকা, ১৯ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





