বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়রসহ নয় জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। চরকাউয়া খেয়াঘাটে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের ঘটনায় এ মামলা করে দখলদাররা।
বরিশাল সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে বুধবার এই মামলা করা হয়।
মামলার বিবাদীরা হলেন- বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র আহসান হাবিব কামাল, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিখিল চন্দ্র দাস, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমতিয়াজ মাহমুদ জুয়েল, হাট-বাজার শাখা প্রধান নূরুল ইসলাম, রোড ইন্সপেক্টর সাজ্জাত হোসেন, বিআইডব্লিউটিএ’র নদী বন্দর শাখার যুগ্ম পরিচালক, সহকারী পরিচালক ও নির্বাহী প্রকৌশলী।
স্পিডবোট মালিক সমিতির সভাপতি বাস্তুহারা শ্রমিকলীগের বরিশাল সদর উপজেলা সভাপতি আবুল কালাম শরীফ, মজনু মিয়া, নূরুল ইসলাম, আজিজুর রহমান আজু, চেরাগ সরদার ও আব্বাস উদ্দিন বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, কোনো প্রকার নোটিশ না দিয়ে গত ১০ নভেম্বর বরিশাল সিটি করপোরেশনের উচ্ছেদের নামে চরকাউয়া খেয়াঘাটে অবস্থিত ছয়টি দোকানঘর ভেঙ্গে ফেলে। অথচ বিআইডব্লিউটিএ’র কাছ থেকে জমি লিজ নিয়ে ওই স্থানে তারা দোকানঘর উত্তোলন করেছিলেন বলে জানান আবুল কালাম শরীফ।
২৭ অক্টোবর ওই ছয় ব্যক্তি লঞ্চঘাট সংলগ্ন এলাকায় কীর্তনখোলা নদীর তীরে সিটি করপোরেশন ও বিআইডব্লিউটিএ’র বিরোধপূর্ণ জমি রাতের আধারে দখল করে দোকানঘর নির্মাণ করে। পর দিন ২৮ অক্টোবর নির্মাণাধীণ দোকানঘর উচ্ছেদ করতে গেলে স্থানীয় যুবলীগ নেতা ও ব্যবসায়ীদের তোপের মুখে পড়ে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। এক পর্যায়ে অভিযান কার্যক্রম স্থগিত করে ফিরে যান তারা।
ফের ১০ নভেম্বর পূর্ণ জনবল ও থানা পুলিশের সহায়তায় উচ্ছেদ অভিযান চালায় সিটি করপোরেশন। ওই সময় ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় নেতাকর্মী ও ব্যবসায়ীরা করপোরেশন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমতিয়াজ মাহমুদ জুয়েল ও বাজার তত্ত্বাবধায়ক মু. নুরুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সব অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে ফেলেন তারা।
এ প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিখিল চন্দ্র দাস জানান, তাদের বিরুদ্ধে যে মামলা হয়েছে তা তিনি জানেন না। কাল (বৃহস্পতিবার) হয়ত তিনি জানতে পারবেন।
কেএইচ





