গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার বলেছেন, ‘একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপারাধীদের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির সাধারণ ক্ষমা বাতিল করতে হবে। কেন না ক্ষমতার পালা বদল হলে তারা আবারও জাতীয় পতাকা নিয়ে ঘুরে বেড়াবে, তা মেনে নেওয়া যায় না।’
রাজশাহীর আলুপট্টি মোড়ে শনিবার সন্ধ্যায় গণজাগরণ মঞ্চের সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
ইমরান বলেন, ‘এই স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই। মুক্তিযুদ্ধকালীন আলবদর রাজাকার, দেশদ্রোহী ও তাদের উত্তসূরীদের আর কোনো ঠাঁই নেই। তাদের নিষিদ্ধ না করা পর্যন্ত গণজাগরণ মঞ্চ আন্দোলন চালিয়ে যাবে।’
তিনি বলেন, ‘উচ্চ-আদালতে রাজাকার দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর শাস্তি কমে যাওয়ার মতো ঘটনায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মানুষের মধ্যে স্বস্তি আনতে পারে না। তাই সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে গণজাগরণ মঞ্চের ছয় দফাকে সামনে রেখে এ ‘জাগরণযাত্রা’ কর্মসূচি শুরু করেছি। আমরা অবিলম্বে রায় হয়ে যাওয়া আলবদর প্রধান নিজামীর ফাঁসি কার্যকর দেখতে চাই।’
সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে ইমরান এইচ সরকার আরও বলেন, ‘জামায়াত ইসলাম ধর্মকে ব্যবহার করে অনেক মানুষ হত্যা করেছে। জাতীয় চেতনাকে নষ্ট করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে জাতীয় সংগীত, শহীদের স্মৃতিসৌধ ও বিভিন্ন ভাষ্কযের অবমাননা করেছে। যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার জন্য যে আপিলের সুযোগ রাখা হয়েছে তাও বাতিল করা আহ্বান জানান গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র।
ভাষা সৈনিক আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী লাকি আক্তার, মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান আলী, ছাত্র ইউনিয়ন নেতা আয়াতুল্লাহ খমিনি, কবি রুহুল আমিন প্রামানিক, প্রশান্ত সাহা, উদীচী কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সিদ্দিক মোল্লা প্রমুখ।
জেআই





