বস্তা বস্তা গাঁজা আটকের খবর সচরাচর পাওয়া গেলেও এবার মিললো গেলো অন্য রকম খবর। খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার কালা পাহাড় পেরিয়ে দুর্গম দুইল্ল্যাতলী গ্রাম।
খাগড়াছড়ি-মহালছড়ি সড়ক থেকে পায়ে হেঁটে যেতে হয়। একাধিক পাহাড় পেরিয়ে এই গ্রামে যেতে সময় লাগে অন্তত ১ ঘণ্টা। দুর্গম এলাকায় ঘর-বাড়ির সংখ্যা প্রায় ২০টি।
পাহাড়ের নিচে সমতল ভূমির প্রতির প্রতিটি ঘরের আবাদী জমিতে চলছে গাঁজার চাষ। প্রায় ৪০টি গাঁজা ক্ষেত করেছেন তারা। দেখে মনে হবে এই যেন গাঁজার গ্রাম!
লোকচক্ষুর অন্তরালে এই গ্রামে রীতিমত গাঁজার সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে। বেশির ভাগ গাঁজা ক্ষেতের আয়তন ৩-৪ বিঘা পর্যন্ত।
গোপনে খবর পেয়ে আজ বৃহস্পতিবার মহালছড়ি সেনা জোনের সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ দল গাঁজার ক্ষেতটি ধ্বংস করে। তবে সংশ্লিষ্ট কাউকে আটক করা যায়নি। নিরাপত্তা বাহিনীর একটি সূত্র বলছে, কৌশলে এই দুর্গম এলাকা বেছে নেওয়া হয়েছিল।
স্থানীয় ইউপি সদস্য চন্দ্র কিরণ ত্রিপুরা বলেন, কীভাবে এই এলাকায় গাঁজার জগত গড়ে তুলেছে তা আমার জানা নেই। ভবিষ্যতে যাতে কেউ এই ধরনের কাজ করতে না পারে সেই ব্যাপারে সর্তক থাকতে হবে।
মাটিরাঙ্গা থানার এসআই মো. মহিউদ্দিন আহম্মদ জানান, এত দুর্গম এলাকায় নজরদারি রাখা কঠিন। তাই লোকচক্ষুর আড়ালে গ্রামের লোকজন গাঁজার আবাদ করেছে। এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি। তবে গাঁজা চাষের সঙ্গে সম্পৃক্তদের আটকের চেষ্টা চলছে।
মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ জানান, এখন গাঁজা চাষের মৌসুম। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আঞ্চলিক সন্ত্রাসী দলগুলো গাঁজার আবাদ করে থাকে। একশ্রেণির গ্রামবাসীও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত।
এএস





