রাজশাহীর বাগমারায় নির্বাচনী সহিংসতায় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপ ও পুলিশের সঙ্গে ত্রিমুখী সংঘর্ষে আহত মুনতাজ আলী নামে আরও একজন আওয়ামী লীগ কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহত মুনতাজ আলী বাগমারা উপজেলার সারন্দি গ্রামের মৃত সাবের আলীর ছেলে। বাগমারার ওই সংঘর্ষের ঘটনায় এ নিয়ে চারজনের মৃত্যু হলো।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহীর বাগমারা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ৭ মে শনিবার বিকেলে উপজেলার আউচপাড়া ইউনিয়নের হাটগাঙ্গোপাড়া গ্রামে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সরদার জান মোহাম্মদ ও বিদ্রোহী প্রার্থী শহিদুজ্জামান শহীদের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে ত্রিমুখী সংঘর্ষ শুরু হয়। এসময় সিদ্দিকুর রহমান নামে একজন গুলিতে ও রমজান আলী ওরফে রঞ্জু নামের আরেকজন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। আহত হন অন্তত ৩০ জন। এদের মধ্যে ৭ জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ওই ঘটনায় রবিবার বিকেলে পুলিশ বাদী হয়ে বাগমারা থানায় ৫৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১২শ’ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করে। ওই মামলায় রাতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭ জনকে আটক করে পুলিশ। রবিবার রাত ৩টার দিকে আহতাবস্থায় জাহিদুল ইসলাম বুলু (৪৫) নামে আরও এক আওয়ামী লীগ কর্মী মারা যান।

এমই