নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় পিয়ার সাত্তার লতিফ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাময়িক বরখাস্তকৃত প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্ত ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটুক্তি করেছেন এবং নিজ ইচ্ছায় কান ধরে সাজা নিয়েছেন বলে দাবি করেছেন সেলিম ওসমান।
বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১২টায় নারায়ণগঞ্জ ক্লাব লিমিটেডের তৃতীয় তলায় কনভেনশন হলে সংবাদ সম্মেলনে নিজ অবস্থান ব্যাখা করতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
সেলিম ওসমান বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি শুধু পরিস্থিতি সামাল দিয়েছেন এবং এজন্য তিনি ক্ষমা চাইবেন না।
তদন্তে আসল ঘটনা বেরিয়ে আসবে মন্তব্য করে সেই পর্যন্ত তিনি সংসদ ভবন ও তার ব্যবসায়ী সংগঠন বিকেএমইএতে যাবেন না বলেও ঘোষণা দেন সেলিম ওসমান।
তবে একজন শিক্ষকের কান ধরে উঠবস করানোর ঘটনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত ও ভুল বোঝাবুঝি উল্লেখ করে এ নিয়েই কারো কারো মনে সৃষ্ট অসন্তোষের জন্য দু:খ প্রকাশ করেছেন সেলিম ওসমান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহা, জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক আবুল জাহের, বন্দর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বিএনপির নেতা আতাউরর রহমান মুকুল, গার্মেন্ট মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএ এর সহ-সভাপতি জিএম ফারুক, এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক ও বাংলাদেশ ক্লথ মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রবীর কুমার সাহা, বাংলাদেশ ইয়ার্ন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি লিটন সাহা, বাংলাদেশ হোসিয়ারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাজমুল আলম সজল, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহ-সভাপতি মঞ্জুরুল হক, আবদুস সোবহান প্রমুখ।
নারায়ণগঞ্জ-৫ (শহর ও বন্দর) আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমান বলেন, ‘আমি সব সময় শিক্ষা, চিকিৎসা ও শিল্পায়নের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আর এ কাজে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ সর্বস্তরের মানুষ সহযোগিতা করেছে। তার ধারাবাহিকতায় কাজ করে যাচ্ছি। আমি কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব না।’
এর আগে ঘটনার পর থেকে সেলিম ওসমান বিচ্ছিন্নভাবে বক্তব্য দিয়ে আসছিলেন। এর মধ্যে বুধবার নারায়ণগঞ্জ ক্লাব লিমিটেডে ৮টি জাতীয় ও ৩৫টি জেলা ভিত্তিক সংগঠন সংবাদ সম্মেলন করে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেন।
কেবি/এমবি





