একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি ও মুক্তিযোদ্ধা রফিক আজাদকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কবির মরদেহের প্রতি এ সম্মান প্রদর্শন করা হয়।

একই সঙ্গে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রফিক আজাদের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানিয়ে শেষ বিদায় জানাচ্ছেন সর্বস্তরের মানুষ। এসব ব্যক্তির মধ্যে রয়েছেন কবি, লেখক, সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ, নাট্যব্যক্তিত্ব, সংস্কৃতিকর্মী প্রমুখ। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে।

কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, 'রফিক আজাদ ছিলেন, আছেন, থাকবেন।' লেখক সৈয়দ শামসুল হক বলেন, 'রফিক আজাদের এই যাওয়া চলে যাওয়া নয়। অমরত্বের জগতে তাকে স্বাগতম। তিনি তার সৃষ্টিতে বেঁচে থাকবেন।'

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রফিক আজাদকে তার কর্মস্থল বাংলা একাডেমিতে নিয়ে যাওয়া হবে। একাডেমির নজরুল মঞ্চে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে। বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে কবির জানাজা হবে। এরপর তাকে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

শনিবার দুপুর ২টা ১০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে মারা যান রফিক আজাদ। এর আগে তিনি গত ফেব্রুয়ারি থেকে ওই হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।

এআই