আগামী ১১ নভেম্বর মঙ্গলবার জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে আয়োজন করা হয়েছে ডিজিটাল সেন্টার উদ্যোক্তা সম্মেলন-২০১৪। এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সজীব ওয়াজেদ জয়।
সারা দেশের ইউনিয়ন পরিষদে ডিজিটাল সেন্টার প্রতিষ্ঠার চার বছর উপলক্ষে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। দেশের সব ইউনিয়ন, পৌরসভা এবং সিটি কর্পোরেশন ডিজিটাল সেন্টারের ১১ হাজারের বেশি উদ্যোক্তা এতে অংশ নেবেন।
রোববার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এ কথা জানান।
সম্মেলনের বিভিন্ন দিক নিয়ে তথ্য তুলে ধরেন এ-টু-আই (একসেস টু ইনফরমেশন) প্রোগ্রাম প্রকল্পের পরিচালক কবির বিন আনোয়ার ও নাইমুর রহমান মুক্তা।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, "ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তাদের কাজের স্বীকৃতি প্রদান, দেশবাসীকে তাদের সামর্থ্য আরেক বার মনে করিয়ে দেওয়া এবং ওয়ার্ল্ড সামিট অন ইনফরমেশন সোসাইটি পুরস্কার ও ওয়ার্ল্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সার্ভিস অ্যালায়েন্স পুরস্কাপ্রাপ্তি উয্যাপনের জন্যই এ আয়োজন।"
তিনি জানান, বর্তমানে দেশের ৪ হাজার ৫৪৭ ইউনিয়ন, ৩২১টি পৌরসভা এবং ১১টি সিটি কর্পোরেশনের সব ওয়ার্ডে স্থাপিত ডিজিটাল সেন্টারগুলো গ্রামীণ জনপদের সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি-বেসরকারি বাণিজ্যিক তথ্য ও সেবাপ্রাপ্তির এক অনন্য কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এসব তথ্য ও সেবাকেন্দ্র থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১২ কোটি সেবা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭ কোটি অনলাইন জন্ম নিবন্ধন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যখন দায়িত্ব নেন, তখন দেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল ১০/১২ লাখ। আজ তা চার কোটি ছাড়িয়ে গেছে। সরকারি অফিস পেপারলেস অফিস করা, ইলেকট্রনিক ল্যান্ড রেকর্ড সিস্টেম করতে কাজ করছে এটুআই। "
এটুআই প্রোগ্রাম প্রকল্পের পরিচালক কবির বিন আনোয়ার বলেন, "একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠায় ডিজিটাল সেন্টারগুলো অসামান্য ভূমিকা রেখে চলেছে।"
ইআর





