অর্থ আত্মসাতের দায়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) এক কর্মকর্তাকে বহিস্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বহিস্কার হওয়া ওই কর্মকর্তা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিফোন অফিসের উপ-প্রধান প্রোকৌশলী।
কর্মচারী দক্ষতা ও শৃঙ্খলা বিধির সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী ভিসি প্রফেসর ড. রাশিদ আসকারী তাকে সাময়িক বহিস্কার করেছেন বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফ সোমবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিফোন শাখা সূত্রে জানা যায়, কয়েকটি ভবনের ওপর ৪টি মোবাইল কোম্পানির টাওয়ারের মাসিক অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে জমা দেওয়ার চুক্তিতে স্থাপন করা হয়।
জানা যায়, কিন্তু সেই টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে জমা না দিয়ে ওই কর্মকর্তা তার ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করতে থাকেন। এভাবে প্রায় তিন বছর ধরে অর্থ আত্মসাৎ করে আসছিল তুহিন।
সর্বশেষ তার বিরুদ্ধে গত নভেম্বর মাসে অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ২৭ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে প্রক্টর প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমানকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দেয়।
কমিটির অন্য সদস্যরা ছিলেন প্রফেসর ড. আহসানুল আম্বিয়া ও অর্থ ও হিসাব শাখার কামাল উদ্দিন। এই কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী তৈমুর রেজা তুহিনের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
এমই





