বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)’র জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদি। সবসময়ই জমকালো আয়োজনে পরিবেশিত হয় সকলের প্রিয় এই অনুষ্ঠান।
আর সব সময়ই বেছে নেয়া হয় ঐতিহাসিক কোনো স্থান। সোমবার দিবাগত রাতে ইত্যাদির দৃশ্য ধারণ করা হয় কুষ্টিয়ার কুমারখালীর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কুঠিবাড়ীতে।
বিশাল সেটে প্রায় কয়েক হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে ধারণ করা হয়েছে ইত্যাদির এবারের পর্ব। টেলিভিশন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে এবারই বিশাল মঞ্চে শতাধিক শিল্পীর উপস্থিতি ছিলো মনোমুগ্ধকর।
বরাবরের মতো এবারেও ‘ইত্যাদি’ শুরু করা হয়েছে রবীন্দ্রসঙ্গীত ও লালনগীতি গানের মধ্য দিয়ে। একটি বিশেষ পর্ব লালন গীতির গানে কন্ঠ দিয়েছে এসআই টুটুল ও বাউল শিল্পী ওস্তাদ শফি মন্ডল। এসময় লালন একাডেমির শিল্পীরা অংশগ্রহণ করে।
শুধু ধারণস্থানের পরিবর্তনই নয়-প্রায় দুই যুগ ধরে ইত্যাদিতে বিদেশি নাগরিকদের দিয়ে আমাদের লোকজ সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে নিয়মিতভাবে তুলে ধরা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ১৯৯৬ সালে জানুয়ারি মাসে হানিফ সংকেত ইত্যাদি অনুষ্ঠানের জন্য কুমারখালিতে লালু গাপলের পাগল সম্মেলনে শ্যুটিং করতে এসেছিলেন।
এসএইচ





