স্বর্গ থেকে মর্ত্যলোকে ভক্তদের দর্শন দিতে, এবার নৌকায় চড়ে আসছেন দশভুজা দুর্গতিনাশিনী দেবীদুর্গা। আর দোলায় চড়ে চলে যাবেন বিজয়াদশমীর দিনে। মাত্র কয়েকদিন বাঁকী। মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরে মা দুর্গার মুখ দর্শন করবেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। নাচবেন, গাইবেন। চলবে খাওয়া-দাওয়া, বেড়ানো। তবে শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে নয়, আনন্দ ছড়িয়ে পড়বে সর্বত্র। আপাতত: সে অপেক্ষা।
একদা হিন্দু বর্ধিষ্ণু পাবনার চাটমোহরে এবারও পাঁচদিনব্যাপী উৎসব উদযাপনের প্রস্তুতি চলছে। ৩০ সেপ্টেম্বর মহাষষ্ঠি থেকে শুরু হবে দুর্গোৎসব। শেষ হবে ৪ অক্টোবর মহাবিজয়া দশমীতে বির্সজনের মধ্য দিয়ে। সময় ঘনিয়ে আসায় পুজো মণ্ডপগুলোতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। প্রতিমা এখনো মণ্ডপে আসেনি। চলছে শেষ পর্যায়ের রং তুলির পোজ। এখানে প্রতিমা তৈরী হয় শহর থেকে ১৫ কিমি দূরের গৌড়ীপুর পালপাড়ায়। সেখান থেকে এনে মন্ডপে তোলা হবে। সেখানকার প্রতিমা শিল্পী আলপনা পাল ও শ্যামল পাল জানান, আমারা এখন মাকে সাজাতে রং তুলির কাজ করছি।
চাটমোহর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ভাষাসৈনিক এ্যাডঃ গৌরচন্দ্র সরকার জানান, উপজেলায় ৪০টি মন্ডপে এবার দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। পূজা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ব্যাপক প্রস্ততি নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্যরা।
পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক অশোক চক্রবর্তী জানান, চাটমোহর পৌরসভায় ১১টি, হান্ডিয়ালে ১১টি, নিমাইচড়ায় ৬টি, বিলচলনে ২টি, হরিপুরে ১টি, গুনাইগাছায় ৩টি, পার্শ্বডাঙ্গায় ২টি, ডিবিগ্রাম ১টি, ফৈলজানায় ১টি ও মূলগ্রাম ইউনিয়নে ১টি মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। মথুরাপুর ও ছাইকোলা ইউনিয়নে এবার পূজা হবে না। চাটমোহরে দুর্গা উৎসবকে কেন্দ্র চলছে সাজ সাজ রব। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, শান্তিপূর্ণভাবে যাতে পূজা অনুষ্ঠিত হয় তার সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মণ্ডপগুলোতে ১ মেট্রিকটন করে সরকারী চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





