কড়াকড়ি আরোপ করেও বন্দরনগরী চট্টগ্রামে এখনো উৎসুক জনতাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না আইন শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী। যৌক্তিক কোনো কারণ ছাড়াই রাস্তায় ভিড় করছেন সাধারণ মানুষ। আর আইন শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদের মুখে দিচ্ছে নানা অজুহাত।

যতক্ষণ সেনাবাহিনী বা পুলিশ রাস্তায়, ততক্ষণ আড়ালে সাধারণ মানুষ। একটু সরলেই ভিড়। এই চিত্র এখন পুরো চট্টগ্রাম নগরীর। অথচ সাধারণ মানুষকে ঘরে রাখতে বুধবার সকাল থেকেই সেনাবাহিনীর ৫টি টিম টহল দিয়ে যাচ্ছে। এমনকি বিধি নিষেধ সত্বেও ফুটপাতে বসে পড়া হকারদের'ও সরিয়েছে সেনাবাহিনী।

সেনাবাহিনীর টহল টিমের টিম লিডার ক্যাপ্টেন কাফিউন নাহার বলেন, যায়গা ক্লিয়ার করে যাচ্ছি আবার ভরে যাচ্ছে। আমরা টহল দিয়ে চেষ্টা করছি। কিন্তু জনগণ সচেতন না হলে আমরা সফল হচ্ছি না।

এদিকে অযৌক্তিকভাবে রাস্তায় গাড়ি বের না করতে নগর জুড়ে সাইরেন বাজিয়ে মোটর সাইকেল চালিয়ে প্রচারণা চালিয়েছে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ। সে সাথে নগরীর পাঁচটি প্রবেশ পথের পাশাপাশি ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ছিলো চেকপোষ্ট।

সিএমপির উপ কমিশনার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, চেক পোস্টে প্রত্যেককে চেক করছি। কিন্তু দেখা যাচ্ছে বেশিরভাগ মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় লোকজন বের হচ্ছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে।

গত ৫ দিনে অযৌক্তিকভাবে রাস্তায় নামা ২ হাজার গাড়ির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ।

করোনাভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৪ জন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৮ জনে। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ জনে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপনকালে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

এএস