কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেছেন।

আলজাজিরার সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবিরের পরিস্থিতি এবং সেখানে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎ কী তা নিয়ে কথা বলেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবিরে সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ড ও রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি উন্নয়নের বিষয়ে বলেন যখন এই ঘটনার সূত্রপাত্র হয় তখন মানুষ নির্যাতন, হত্যা ও ধর্ষণের শিকার হয়েছে। অনেক কিছুই ঘটেছে। সত্যিকার অর্থে আমাদের খুব খারাপ লেগেছিল। এরপর আমরা সীমান্ত খুলে নেই। তাদের আসতে দেই। পাশাপাশি মানবিক দিক থেকে আমরা তাদের সবার জন্য আশ্রয় ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করি।

তিনি বলেন, আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা শুরু করি। আমরা তাদের বলি, রোহিঙ্গারা তোমাদের দেশের নাগরিক, তাদের ফিরিয়ে নেওয়া উচিত। দুর্ভাগ্যবশত, তারা ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছে না। আমি মনে করি এই মানুষদের তাদের নিজের বাড়ি ও দেশে ফিরে যাওয়া উচিত।

শেখ হাসিনা বলেন, মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগ করছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। কিন্তু এটি সত্যি খুব কঠিন। আমরা তাদের জন্য পৃথক একটি স্থানে আবাসনের ব্যবস্থা করেছি। ভাসানচর ভালো একটি জায়গা, বসবাসের ভালো স্থান। খুব ভালো জায়গা। ভালো আবাসন ও শিশুদের জন্য চমৎকার ব্যবস্থা করা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা শিবিরে জীবনযাত্রা এবং অগ্নিকাণ্ডে ১২ হাজারের বেশি মানুষের আশ্রয় হারানো প্রসঙ্গে বলেন, কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবিরের পরিস্থিতি খুব ভালো না। রোহিঙ্গারা এখন নিজেরা একে অপরের সঙ্গে সংঘাতে জড়াচ্ছে। তারা মাদকপাচার, অস্ত্রপাচার, মানবপাচারের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। এছাড়া তাদের নিজেদের মধ্যেও বিরোধ রয়েছে।

-d2bf0a80cf40a523c0f22a1f00f175b4

তিনি বলেন, কিন্তু এই মুহূর্তে পরিস্থিতি অনেক কঠিন। কারণ বিশ্বের মনোযোগ এখন ইউক্রেনের যুদ্ধ এবং দেশটির শরণার্থীদের ওপর।

কাতার সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাক্ষৎকার নিয়েছেন আল জাজিরার সাংবাদিক নিক ক্লার্ক। সাক্ষাৎকারের একটি সংক্ষিপ্ত অংশ প্রচার করেছে সংবাদমাধ্যমটি। পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাৎকারটি ১১ মার্চ বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টায় আল জাজিরায় প্রচারিত হবে।

এনএইচ