শরীয়তপুর নড়িয়া উপজেলার নশাসন গ্রামে আফরোজা আক্তার লিপিকে নামে একগৃহ বধুকে যৌতুক দাবীতে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে স্বামী ফারুক হোসেনর পরিবারের বিরুদ্ধে ।

নির্যাতিতা নিজে বাদী হয়ে তার স্বামী ফারুক হোসেন সহ ৪ জনের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ভূক্তভোগী লিপি শরীয়তপুর সদর উপজেলার উত্তর আটং গ্রামের আলী আজম সরদারের মেয়ে।

জানা যায়, ২০০৮ সালে মৃত সামসুল হক চৌকিদারের ছেলে ফারুক হোসেনের (চৌকিদার) সঙ্গে বিয়ে হয়। বিয়ের সময় বিদেশের গমনের জন্য নগদ ৫০ হাজার টাকা ও ২ ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার সহ বিভিন্ন আসবাবপত্র দেয়। বর্তমানে দুই সন্তান রয়েছে তাদের ।

বিয়ের কিছু দিন পর শুরু হয় যৌতুকের দাবীতে নানা রকমের শারিরিক ও মানসিক নির্যাতন বলে জানান লিপি।

তিনি আরো বলেন, সন্তানদের কথা চিন্তা করে নানা নির্যাতন সহ্য করি। কিন্তু দিনদিন নির্যাতনের মাত্রা বাড়তে থাকে। এমন কি আমার বাবার কাছ থেকে ধারে আরও ৩ লাখ টাকা নিয়ে ফেরৎ দেয় নাই তার স্বামী বলেও জানান।

সর্বশেষ গত ১১ নভেম্বর ২০১৬ তারিখ বিকালে আমার স্বামী ফারুক হোসেন বিদেশ যাওয়ার কথা বলে আরও ২ লাখ টাকা যৌতুক দাবী করেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর কথা কাটাকাটির সময় এসময় শাশুড়ী জয়গুন বিবি,দেবর ফরহাদ হেসেন চৌকিদার ও ননদ খোদেজা বেগম প্রচন্ড মারধর করে হাত ভেঙ্গে রক্তাক্ত করে দেয় গৃহবধু লিপিকে বলে জানা গেছে।পরে লিপির বাবা-মা খবর পেয়ে মেয়েকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

গৃহবধু লিপি ঘটনার নায্যবিচার দাবী করেছেন

শাওন/নাজিব