বাংলাদেশী যাত্রীদের জন্য অস্ট্রেলিয়া যেতে সর্বনিম্ন ভাড়ার ঘোষণা করেছে এশিয়ার সর্ববৃহত্ বাজেট এয়ারলাইনস এয়ার এশিয়া।

আজ (শুক্রবার) টাইমনিউজবিডি’কে দেওয়া এক প্রেসবার্তায় জানানো হয়, ঢাকা-কুয়ালালামপুর-সিডনি এবং ঢাকা-কুয়ালালামপুর-মেলবোর্ন রুটের জন্য এ ভাড়া প্রযোজ্য হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া যাওয়া ছাত্র এবং মধ্য আয়ের যাত্রীরা কম খরচে ভ্রমণের সুবিধা নিতে পারবেন।

বার্তায় আরও বলা হয়েছে, “ঢাকা-কুয়ালালামপুর-সিডনির একমূখী সর্বনিম্ন ভাড়া রাখা হয়েছে ৩১৯০০ টাকা। আর ঢাকা-কুয়ালালামপুর-সিডনি-ঢাকা রুটের রিটার্ন টিকিটের সর্বনিম্ন মূল্য রাখা হয়েছে ৫৬৯০০ টাকা।

অন্যদিকে ঢাকা-কুয়ালালামপুর-মেলবোর্ন একমূখী সর্বনিম্ন ভাড়া রাখা হয়েছে ৩২৬০০ টাকা। আর ঢাকা-কুয়ালালামপুর-মেলবোর্ন-ঢাকা রুটের রিটার্ন টিকিটের সর্বনিম্ন মূল্য রাখা হয়েছে ৫৮৬০০ টাকা।”

“আকর্ষণীয় ও সাশ্রয়ী এ ভাড়ার আওতায় যাত্রীরা বিনামূল্যে ৭ কেজি হ্যান্ড লাগেজের মধ্যে একটি ল্যাপটপ ব্যাগ, হ্যান্ড ব্যাগ অথবা ব্যাকপ্যাক সাথে নিতে পারবেন।”

তারা বলেন, “এয়ার এশিয়া ঢাকা থেকে প্রতিদিন একটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করে। যা স্থানীয় সময় রাত ১টা ২০ মিনিটে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যায়। কুয়ালালামপুরে পৌছায় স্থানীয় সময় ৭টা ২০ মিনিটে। যা পরবর্তীতে ট্রানজিট শেষে সিডনি ও মেলবোর্নের উদ্যেশ্যে যাত্রা করে।”

এয়ার এশিয়ার জেনারেল সেলস্ এজেন্ট (জিএসএ) টোটাল এয়ার সার্ভিসেস লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মামুন জানান, বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া গমনেচ্ছু শিক্ষার্থী এবং সেখানে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য এটি একটি চমত্কার সুযোগ। এতে দু’দেশের মধ্যে যাত্রীদের ভ্রমণ বাড়বে। যা শিক্ষা ও ব্যবসা প্রসারে উল্ল্যেখযোগ্য ভূমিকা রাখেবে।

উল্লেখ্য, ১০ জুলাই, ২০১৫ থেকে ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটে পুণরায় কার্যক্রম শুরু করে এয়ার এশিয়া। বর্তমানে মালয়েশিয়া থেকে ১৩০টিরও বেশি দেশে এয়ার এশিয়ার ফ্লাইট রয়েছে। কার্যক্রম চালুর পর থেকে এ পর্যন্ত ১৬ বছরে প্রায় ২৫০ মিলিয়নের বেশি যাত্রী পরিবহন করেছে এয়ারলাইসটি।

এয়ার এশিয়ার বহরে বর্তমানে ১৮০ আসনের ১৫০টি এয়ারবাস এ৩২০ উড়োজাহাজ রয়েছে। যেগুলো দিয়ে ছোট ও মাঝারী গন্তব্যের ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়। আর ৫ ঘন্টার অধিক যাত্রার জন্য এয়ারলাইনসটির বহরে ৩৭৭ আসনের ১৫টি এয়ারবাস এ৩৩০ উড়োজাহাজ রয়েছে।

এছাড়া, আরও ২০০টি বিভিন্ন মডেলের এয়ারবাস উড়োজাহাজ সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় রয়েছে; যা পর্যায়ক্রমে এয়ার এশিয়ার বহরে যুক্ত হবে।

এমবি