লক্ষ্মীপুরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ জসিম উদ্দিন (২৭) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ সময় জসিমের সঙ্গে থাকা বেলজিয়াম সুমন ও দোলেয়ার হোসেন ছাড়াও ছয় পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
পুলিশের দাবি- জসিম ওই অঞ্চলের সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান ছিলেন।
সদর উপজেলার দত্তপাড়া এলাকার বালাইশপুর নামক স্থানে সোমবার রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জসিম উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের দক্ষিণ মাগুড়ী গ্রামের শহীদুল্লার ছেলে।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর, কনেস্টেবল জহিরুল ইসলাম, তহিন, লোকমান, ফারুক ও কামাল।
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. জয়নাল আবেদিন জানান, জসিমের দুই সহযোগীর অবস্থাই আশঙ্কাজনক।
লক্ষ্মীপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) জুনায়েত কাউসার বলেন, ‘পুলিশের তালিকাভূক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী জসিম উদ্দিন তার বাহিনী নিয়ে বালাইশপুর নামকস্থানে অবস্থান করছে- এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।’
তিনি জানান, এ সময় বাহিনী প্রধান জসিমসহ তিন সন্ত্রাসী গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জসিমকে মৃত ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে পুলিশেরও ছয় সদস্য আহত হন।
পরে ঘটনাস্থল থেকে ৫ রাউন্ড গুলিভর্তি একটি আমেরিকান পিস্তল, একটি এলজি ও একটি বন্দুকসহ দুই রাউন্ড কাতুর্জ উদ্ধার করা হয়।
নিহত জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে সদর ও চন্দ্রগঞ্জসহ বিভিন্ন থানায় হত্যা, চাঁদাবাজি, অপহরণের প্রায় ৩০টি মামলা রয়েছে। অপর গুলিবিদ্ধ দুই সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধেও হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে দাবি করেন পুলিশের ওই কর্মকর্তা।
জসিমের লাশ উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এমকে





