দীর্ঘ অর্ধযুগ পর দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলকে যানজট মুক্ত করা হযেছে। অর্থমন্ত্রীর নিদের্শে গঠিত পরামর্শক কমিটির উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও পরিবহন শ্রমিকদের বৈঠকের পরপরই।

বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার বেলাল হোসেন চৌধুরীর নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার (০৮ নভেম্বর) সকাল থেকে শুরু হয় যানজট মুক্ত অভিযান। চেকপোস্ট এলাকা থেকে প্রাইভেট কার, ইজিবাইক ও অবৈধ যানবাহন’র স্ট্যান্ড উচ্ছেদ করা হয়।

কাস্টমস সহকারী কমিশনার মাসুদ, পুলিশ, বিজিবি, আনসার, সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশন, ট্রাক মালিক সমিতি, ট্রাক ও ইজি বাইক শ্রমিক ইউনিয়ন উচ্ছেদ অভিযোনে অংশ নেয়। এসব অবৈধ যানবাহন স্ট্যান্ডের কারনে ধীর্ঘদিন ধরে দু’দেশের মধ্যে ব্যাহত হচ্ছিল আমদানি রফতানি বানিজ্য।

বেনাপোল বন্দর দিয়ে ইতিপূর্বে ৫’শ ট্রাক মালামাল আমদানি হতো ভারত থেকে। বর্তমানে আমদানি কমে দাড়িয়েছে ৩’শ ট্রাকে। যদিও বেনাপোল বন্দর দিয়ে বাংলাদেশে থেকে রেডিমেট গার্মেন্টসসহ দ্বিগুন পরিমান পন্য রফতানি হচেছ ভারতে।

গত মাসের শেষ দিকে ভারতের দিল্লীতে অনুষ্ঠিত ভারত বাংলাদেশ জয়েন্ট গ্রুপ অব কাস্টমস এর মিটিং এ বন্দর দিয়ে দু’দেশের মধ্যে আমদানি রফতানি কমে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।  

বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার বেলাল হোসেন চৌধুরী জানান, দু’দেশের জয়েন্ট গ্রুপ আব কাস্টমস -এর মিটিং এ বেনাপোল চেকপোস্টকে যানজট মুক্ত করার আহবান জানানো হয় ভারতীয় কাস্টমস এর পক্ষ থেকে। যানজটের কারনে আমদানি কমে রাজস্ব আয়ও কমে যাচ্ছিল। বিজিবি, পুলিশ, আনসার সিএন্ডএফ এজেন্টস ও ট্রাক শ্রমিকদের সহযোগীতায় চেকপোস্টকে যানজট মুক্ত কারায় আমদানি বাড়তে শুরু করেছে।

নাছির/এমবি