মাগুরায় বখাটেদের হাত থেকে এক সহপাঠীকে রক্ষা করতে গিয়ে সশস্ত্র হামলার শিকার হয়েছে  ৩ জেএসসি পরীক্ষার্থী। আহত হয়ে তারা বৃহস্পতিবার হাসপাতালের বিছানায় বসে পরীক্ষা দিয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হলেও পুলিশ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (গত ৫ দিনে) পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি।

জানা যায়, বুধবার জেএসসি পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে সহপাঠীকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় মোট ৩ পরীক্ষার্থী সশস্ত্র হামলার শিকার হয়। এ ঘটনায় মাগুরা সদর থানায় মামলা দায়ের করা হলেও পুলিশ এখন (গত ৫ দিনে) পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পরীক্ষার্থীরা জানায়, মাগুরা শহরের পুলিশ লাইন্স স্কুলে সদর উপজেলার বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জেএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র ছিল। গত ২ তারিখ থেকে শুরু হওয়া জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পরীক্ষাকেন্দ্রে যাওয়া-আসার পথে শিক্ষার্থীরা মহিষাডাঙ্গা এলাকায় বখাটেদের ইভটিজিংয়ের শিকার হয়।

বুধবার দুপুরে বেঙ্গাবেরইল স্কুল অ্যান্ড কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী পরীক্ষা শেষে ইজিবাইকে করে বাড়ি ফিরছিল। পথে মহিষাডাঙ্গা মসজিদ এলাকায় পৌঁছলে জোবায়েদসহ বেশ কয়েকজন বখাটে ইজিবাইকটি থামিয়ে উর্মি নামে একটি মেয়ের চুল ধরে নামিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে।

এ সময় তাদের প্রতিহত করতে গেলে রামদা ও হাতুড়ি নিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে মেসকাত ও ইউনুসসহ ৩ পরীক্ষার্থী আহত হয়। আহতদের মধ্যে মেসকাত ও ইউনুসকে গুরুতর অবস্থায় মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঘটনার পর বুধবার রাত ১১টার দিকে আহত পরীক্ষার্থীদের পক্ষে বেঙ্গাবেরইল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ গোবিন্দ চন্দ্র সাহা সদর থানায় ৫ জন এজাহার নামীয়সহ অজ্ঞাত কয়েকজনের নামে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

সদর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলা নং -১২ তারিখ ৬/১১/২০১৯। ঘটনার পর থেকেই বখাটেদের আটকের জন্য চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সাইফুল্লাহ/এম