পবিত্র মাহে রমজানকে কেন্দ্র করে ঊর্ধ্বমুখী রাজধানী ঢাকার কাঁচাবাজার। বিশেষ করে ইফতারে ব্যবহার হয় এমনসব পণ্য তথা বেগুন, টমেটো, শসা, পেয়াজ, কাঁচামরিচসহ কয়েকটি পণ্যের দাম বেড়েছে কয়েকগুণ।
একদিনের ব্যবধানে দাম বেড়ে যাওয়ায় হতাশা জানিয়ে মিরপুরের গৃহবধূ রিপা আক্তার টাইমনিউজবিডিকে বলেন, সবকিছুরই দাম বেড়েছে কয়েকদিনের তুলনায়। অনেকটাই সাধ্যের বাইরে।

দামে সবার চেয়ে এগিয়ে বেগুন। বাজারভেদে তা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত। অথচ পাইকারি বাজারে খুব একটা বাড়েনি বেগুনের দাম।

সরকারি প্রতিষ্ঠান টিসিবি’র তথ্যেই পেয়াজ, রসুন, আদা, আলু, পামতেলসহ অন্তত: আট ধরনের পণ্যের দাম বেড়েছে। একদিনের ব্যবধানে বেগুনের দাম বেড়েছে কমপক্ষে ২০টাকা। প্রতি হালি লেবুতে বেড়েছে ১০টাকা পর্যন্ত।
ব্যাংক কর্মকর্তা কল্লোল জানান, এক সপ্তাহের ব্যবধানে অস্বাভাবিক দাম বেড়েছে। বিশেষ করে রোজাকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। কয়েকদিনের ব্যবধানে দাম বেড়ে যাওয়ার কারণ নিয়েও প্রশ্ন তার।
২০টাকার শসা এখন বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০টাকায়। ধনে পাতা বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা থেকে ২০০টাকা পর্যন্ত। দাম বেড়েছে পেয়াজ, ছোলা এবং ডালের। স্থিতিশীল আছে ভোজ্যতেল আর চিনির দাম।
দাম বেড়ে যাওয়ার কোন সদুত্তর নেই খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছেও। মোহাম্মদপুর কাঁচাবাজারের খুচরা বিক্রেতা মজিবুর রহমান টাইমনিউজবিডিকে বলেন, বাজারে সরবরাহ যথেষ্ট ভাল, চাহিদাও হঠাৎ বাড়েনি। কিন্তু তারপরও কেন দাম বাড়ছে তা জানা নেই। পাইকারী বিক্রেতারা কিছু বাড়তি দাম রাখছেন, সে কারণেই খুচরা বিক্রেতারা দাম বাড়িয়েছেন বলেই জানান তিনি।

মাছের দাম সব বাজারেই বেড়েছে বেশ খানিকটা। বিশেষ করে ছোট মাছের চাহিদা বেশি হওয়ায় এসব মাছের দাম কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা থেকে ১০০টাকা পর্যন্ত।

তবে, অনেকটাই স্থিতিশীল রয়েছে আগেই বেড়ে যাওয়া মুরগি, গরু ও খাসীর মাংস এবং ডিমের দাম। তবে, বাজারে নজরদারী না থাকার অভিযোগ তুলেছেন ক্রেতা বিক্রেতা উভয়েই। নজরদারি না থাকায় ইচ্ছেমতো দাম হাকাচ্ছেন বলেই মত তাদের।

এমএ