শরীয়তপুরে কমেছে পদ্মার ভাঙনের তীব্রতা। তবে নদীতীরের বাসিন্দাদের মাঝে এখনো থামেনি ভাঙন আতঙ্ক। এ অবস্থায় পানির স্রোত কমলেই নদীখননে কাজ শুরু করার কথা জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এদিকে, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংগঠনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের দেয়া হচ্ছে ত্রাণ সহায়তা।
পদ্মায় পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কমেছে কমেছে ভাঙনের তীব্রতা। টানা তিন মাসের সর্বনাশা তাণ্ডবের পর কিছুটা যেন শান্ত পদ্মা।
শুক্রবার (২১ সেপ্টেম্বর) নড়িয়া উপজেলায় কোন স্থাপনা নতুন করে ভাঙনের কবলে পড়েনি। তবে, আগেই ভেঙে পড়া মুলফৎগঞ্জ বাজারের বেসরকারি লাইফ কেয়ার হাসপাতাল ভবনটি চলে যাচ্ছে পদ্মার পেটে। ভাঙন আতঙ্ক কমেনি নদী তীরবর্তী মানুষেরও।
পদ্মার ভাঙনে নিঃস্ব পরিবারগুলোকে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছে আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।
ভাঙন প্রতিরোধে বালুভর্তি জিওব্যাগ ফেলার পাশাপাশি পানি কমলেই ড্রেজিং শুরুর কথা জানিয়েছে ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুল হেকিম।
চলতি বছর পদ্মার ভাঙনে বসত-ভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন নড়িয়া ও জাজিরা উপজেলার প্রায় ৭ হাজার পরিবার।





