কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের হাতে আটকের পর ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রোহিঙ্গা যুবক নিহত হয়েছে। নিহতের নাম মাহমুদুল হাসান (৩৭)।

আজ (১৪ নভেম্বর) বৃহস্পতিবার ভোর রাতে টেকনাফের শালবাগান রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন পাহাড়ে গোলাগুলির এই ঘটনা ঘটে। গতকাল সন্ধ্যায় মাহমুদুলকে আটক করে পুলিশ।

টেকনাফ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ দাবি করেন, এসময় তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। ঘটনাস্থল হতে এটি বিদেশি পিস্তল ও বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত মাহমুদুল হাসান (৩৭) নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ ব্লকের মৃত বাকের আহমদের ছেলে।

টেকনাফ থানা সূত্র জানায়, বুধবার সন্ধ্যার দিকে আটক হাসানকে নিয়ে গভীর রাতে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশ শালবাগান ক্যাম্প সংলগ্ন পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে গেলে রোহিঙ্গা এবং পুলিশের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

এই ঘটনায় পুলিশ কনস্টেবল মিঠুন, শাহীন ও হাবিব আহত হন। পুলিশের পাল্টা গুলিবর্ষণ করলে কিছুক্ষণ পর হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে একটি বিদেশি পিস্তল, বেশ কয়েক রাউন্ড বুলেটসহ গুলিবিদ্ধ মাহমুদুল হাসানকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য টেকনাফ উপজেলা সদর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখান হতে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে হস্তান্তর করা হয়। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

টেকনাফ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, লাশটি উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। নিহত মাহমুদুল হাসান একাধিক মামলার আসামি ছিলেন। এ ঘটনায় পৃথক মামলা করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

এমবি