আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে ৭৩ টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত ২০ হাজার মিটার রিডার ও মাসেঞ্জারের চাকরি নিয়মিত করনের দাবি জানিয়েছেন চুক্তিভিত্তিক রিডার ও মাসেঞ্জার ঐক্য পরিষদের নেতারা। একই সঙ্গে তারা কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, ১ সেপ্টেম্বর থেকে মিটার রিডিং কালেকশন এবং বিল বিতরণ বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে চুক্তিভিত্তিক মিটার রিডার/ম্যাসেঞ্জার ঐক্য পরিষদ। এছাড়াও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চেয়ারম্যান এবং জিএমদের অফিস ঘেরাও কর্মসূচিও পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের নেতারা।
আজ বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে চুক্তিভিত্তিক রিডার ও মাসেঞ্জার ঐক্য পরিষদের নেতারা এ ঘোষণা দেন।
এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী এবং সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন চুক্তি ভিত্তিক রিডার ও মাসেঞ্জার ঐক্য পরিষদের নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, মো. মোজাহিদুল ইসলাম শুভ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের আহকায়ক জিয়া উদ্দিন বাবলু,সালাহ উদ্দিন লাবলু, ওবায়দুর রহমান, আবুল কালাম আজাদ, রফিকুল ইসলাম পলাশ প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়,টানা ৯ বছর চাকরি করার পরও তাদের চাকরি স্থায়ী করা হয় না। পুনরায় চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ নিতে হলে জনপ্রতি ১ লাখ টাকা করে ঘুষ দিতে হয়। আর এ ঘুষের টাকা পাচ্ছে ৭৩ জন জিএম এবং ২৫০জন ডিজিএম। এছাড়া ২ থেকে ৪ দিনের ছুটি নিতে হলে ওই কর্মকর্তাদের মোবাইলে ৫০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকার ফ্যাক্সি লোড দিতে হয়। তাদের নির্ধারিত ৭ হাজার টাকা ঈদ ও উৎসব বোনাস উল্লেখ থাকলেও দেয়া মাত্র ৫ হাজার টাকা করে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, চুক্তি ভিত্তিক রিডার ও মাসেঞ্জাদের মিটার রিডিং এবং বিল বিতরণের কথা থাকলেও তাদের দিয়ে রাস্তার গাছ কাটানো হয়। আর এ গাছা কাটার নামে লাখ লাখ টাকার বিল ভাইচার তৈরি করে আত্মসাৎ করেন জিএম এবং ডিজিএম গণ। শুধু তাই নয়,বিদ্যুতের খুঁটি এবং ওভার কানেকশন দিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয় কর্মকর্তারা।
ঢাকা, একে, ১৬ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ





