আগামী ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস। দিবসটি পালনে সরকার সারা দেশে নানা উদ্দ্যোগ গ্রহন করেছে। প্রতিটি শিশুকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে সরকার নানা পদক্ষেপ নিলেও দেড় যুগে এখন পর্যন্ত শিক্ষার আলো পৌছায়নি ভোলার দৌলতখান উপজেলার অবহেলিত জনপদ নেয়ামতপুর চরে। শিক্ষার আলো না পৌছানোর কারনে আধুনিক যুগে এসেও আন্ধকারে ডুবে আছে নেয়ামতপুর। যার ফলে চরের বেশীর ভাগ শিশুই নিরাক্ষর রয়ে গেছে।

ভোলার দৌলতখান উপজেলার একটি বৃহৎ ইউনিয়ন ছিলো নেয়ামতপুর। মেঘনার ভয়াল গ্রাসে বিশাল এ জনপদটি ১৯৭০ সনে বিলীন হয়ে যায়। ১৯৯৮ সালে পুর্নাঙ্গভাবে নেয়ামতপুর চর নতুন করে জেগে উঠলে ক্ষতিগ্রস্থরা আবার স্বপ্ন দেখে। নতুন করে বাসস্থল তৈরী করে।

কিন্তু দুর্গম এই চরের শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে সরকারি বা বেসরকারি উদ্যেগ গ্রহন করেনি। চরটি জেগে উঠার ১৭ বছরেও কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে না উঠায় কোমলমতি শিশুরা ছোট বেলা থেকেই নানা পেশায় জড়িয়ে পড়েছে।

অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানাযায়, ইচ্ছা থাকলেও তাদের সন্তানদের পড়ালেখা করাতে পারছেনা। শিক্ষা গ্রহন করে কেউ ডাক্তার, কেউ শিক্ষক, কেউ আইনজীবীসহ নানা পেশার স্বপ্ন দেখেন। কিন্তু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না থাকায় তারা পড়ালেখা করতে পারছেনা। এদিকে শিক্ষা গ্রহনের প্রবল ইচ্ছার কথা জানান নেয়ামত পুরের শিশুরা।

সাধারন মানুষের এখন প্রানের দাবী হয়ে দাড়িয়েছে, যে কোন উদ্যোগেই হোক না কেন নেয়ামতপুরে অতি তারাতারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মান করা।
এআই