অবৈধ ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে চলমান অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, ‘এই অভিযান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুর্নীতির বিরুদ্ধে শক্তিশালী অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ। প্রধানমন্ত্রী যে নির্দেশনা দিয়েছেন, তা অত্যন্ত ইতিবাচক।’

আজ মঙ্গলবার সকালে সাভার সেনানিবাসের মিলিটারি ফার্মে অত্যাধুনিক মিল্কিং পার্লারের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন সেনাপ্রধান।

নগরবাসী চমকে গেছেন। অনেকেরই হাঁটার দূরত্বে ক্যাসিনোর অস্তিত্বের খবর জেনে অবাক হয়েছেন। আবার অনেকের কাছেই ঢাকার ক্যাসিনোর খবর ​​‘ওপেন সিক্রেট’। বাংলাদেশে ক্যাসিনো আইনত নিষিদ্ধ।

তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ক্যাসিনো আইন মেনেই চালু আছে। বিশ্বজুড়ে ক্যাসিনোর অর্থনীতিও অনেক বড়। পকেটে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে ক্যাসিনোতে ছুটে যাওয়া মানুষের সংখ্যা মোটেই কম নয়।

সেনাপ্রধান মনে করেন, চলমান অভিযান ঠিকঠাকমতো চললে অনেক অপরাধ কমে আসবে।

এ ছাড়া সেনাবাহিনীর নাম ভাঙিয়ে ‘সৈনিক ক্লাব’ কিংবা ‘রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস ক্লাব’-এর নামে যারা এ ধরনের অনৈতিক কার্যক্রম চালিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সেনাপ্রধান।

আজিজ আহমেদ বলেন, ‘এ বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে এ ব্যাপারে আরো খোঁজ-খবর নিতে বলা হয়েছে। আমি নিশ্চিত করে বলছি, এ বিষয়ে আমাদের যা করণীয়, আমরা তা করব।’

আয়ারল্যান্ডের প্রযুক্তিতে সরকারি পর্যায়ে স্থাপিত প্রথম এই মিল্কিং পার্লার থেকে জীবাণুমুক্ত ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে প্রতি ১৫ মিনিটে একসঙ্গে ২০টি গাভি থেকে দুধ সংগ্রহ করা হবে। এই প্রযুক্তি ডেইরি ফার্ম ব্যবস্থাপনায় সময় ও শ্রম সাশ্রয় হবে বলেও মন্তব্য করেন সেনাপ্রধান।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল শামসুল হক, মাস্টার জেনারেল অব অর্ডন্যান্স মেজর জেনারেল আবু সাঈদ সিদ্দিক এবং নয় পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও সাভার এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল আকবর হোসেন।

এএস