২০ দলের ডাকা হরতালে নগরীর রাস্তাঘাটে গণপরিবহণ কম থাকায় রাজধানীর অধিকাংশ সড়ক রিকশার দখলে।

বৃহস্পতিবার সকালে মিরপুর, কাজীপাড়া, শ্যাওড়াপাড়া, আগারগাঁও ও এর আশপাশের এলাকা ঘুরে এমন দৃশ্যই দেখা গেছে।

হরতালের কারণে সকাল থেকেই অধিকাংশ সড়কে যানবাহনের সংখ্যা ছিল হাতে গোনা। ফলে অফিসমুখী যাত্রী ও জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া নগরবাসীকে পোহাতে হয়েছে ব্যাপক দুর্ভোগ।

অন্য কোনো উপায় না থাকায় বাধ্য হয়ে রিকশাকেই হরতালে চলাফেরার মাধ্যম হিসেবে বেছে নিচ্ছেন যাত্রীরা। এজন্য তাদের বাধ্য হয়ে গুণতে হচ্ছে স্বাভাবিকের চেয়ে দুই-তিনগুণ বেশি ভাড়া।

রাজধানীর যেসব সড়কে রিকশা প্রবেশ নিষিদ্ধ, সেসব সড়কেও হরতালের কারণে রিকশা চলেছে। পাশাপাশি হরতালকে পুঁজি করে অবৈধ রিকশার ছড়াছড়ি চোখে পড়ার মতো।

রিকশা ভাড়া নিয়ে এমনিতেই যাত্রীদের অভিযোগ রয়েছে। হরতালে এ ভাড়ার পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। ডিএমপির রিকশা ভাড়ার একটি তালিকা থাকলেও কোনো রিকশা চালকই তা মানছে না। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাও এ ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না।

এক যাত্রী বলেন, ‘মিরপুর-১০ নম্বর থেকে ফার্মগেটের ভাড়া ৫০ থেকে ৬০ টাকা। কিন্তু হরতাল হওয়াতে ১২০ টাকা দিয়েও সময়মতো অফিসে পৌঁছাতে পারবো কিনা জানি না।’

বেশি বাড়া নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে একজন রিকশাচালক বলেন, হরতালে ঝুঁকি থাকার কারণেই বেশি ভাড়া নিতে হচ্ছে। তা ছাড়া ভাড়ার টাকার ভাগ ট্রাফিক সার্জেন্টকেও দিতে হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

জেএ