চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানার ব্যস্ততম জিইসি মোড়সংলগ্ন ওয়েল ফুড নামের মিষ্টির দোকানের সামনের রাস্তা। সড়কের গোল পাহাড়ের দিক থেকে ছেলেকে স্কুল গাড়িতে তুলে দিতে জিইসি মোড় আসছিলেন পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম।

আর মোটরসাইকেল করে তিন যুবক জিইসি মোড় থেকে গিয়ে তাঁর সামনে হাজির। মোটরসাইকেলে থাকা তিন যুবকের মধ্যে এক যুবক তাঁকে প্রথমে ছুরিকাঘাত করে, আরেক যুবক গুলি করে চলে যায়। সময় নেয় ৪০ থেকে ৫০ সেকেন্ড।

ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখে চট্টগ্রাম নগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) পরিতোষ ঘোষ এমনটাই জানান।

রোববার সকাল ৬টা ৩৫মিনিট থেকে ৩৬ মিনিটের মধ্যে প্রকাশ্যে শত শত মানুষের সামনে ঘাতকরা হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করে।

সরহ

নগর পুলিশের এডিসি (উত্তর) কাজী মুত্তাকী ইবনু মিনান বলেন, মোটরসাইকেলে থাকা তিন যুবক প্রথমে মাহমুদা আক্তারকে মোটরসাইকেল দিয়ে ধাক্কা দেয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই মাঝখানে থাকা যুবক প্রথমে তার বুকে, হাতে ও পিঠে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে।

তৃতীয়জন তার হাতে থাকা পিস্তল দিয়ে খুব কাছ থেকে গুলি করে। প্রথম ফায়ারটি মিস হয়। দ্বিতীয় ফায়ারে বাবুল আক্তারের স্ত্রীর কপালের বাঁ পাশে গিয়ে লাগে। এরপর ঘাতকদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটির স্ট্রাট বন্ধ হয়ে যায়। মিনিট দুয়েক চেষ্টার পর মোটর সাইকেলটি পুনরায় চালু হলে তারা প্রবর্তক মোড়ের দিকে পালিয়ে যায়।

পুলিশের এডিসি আরও জানান, ঘটনাস্থলের একটি দোকান থেকে সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ পাওয়া গেছে। কিলিং মিশনে অংশ নেয়া তিন যুবকের চেহারা স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে না।

ওএফ