রুহুল আমিন তার স্ত্রী চম্পা খাতুনকে বেদম মারধর করেন। কিছু সময় পর ‘আমার বউ বিষ খাইছে’ বলে আশপাশের লোকজনকে ডেকে আনেন তিনি। এ সময় প্রতিবেশীরা চম্পাকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন এবং তার পাশেই একটি কীটনাশকের বোতল পড়ে ছিল। মুখে কীটনাশকের গন্ধ ছিল।
উপস্থিত লোকজনের পরামর্শে রুহুল গ্রামের একজন চিকিত্সককে ডেকে আানের। প্রাথমিক চিকিত্সায় চম্পা জ্ঞান ফিরে পান। পরে ডাক্তার তাকে উন্নত চিকিত্সার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। ট্রেনে করে রাজশাহী নেয়ার সময় রাত ১০টার দিকে লোকমানপুর স্টেশনের কাছাকাছি পৌঁছালে চম্পার মৃত্যু হয়।
সোমবার সন্ধ্যায় নাটোরের লালপুর উপজেলার ধনঞ্জয়পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে ।
পরে চম্পার লাশ নিয়ে বাড়িতে ফিরে আসেন রুহুল আমিন। এরপর লাশ রেখে পালানোর চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় গ্রামবাসী তাকে ধরে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে।
নিহত চম্পা খাতুনের মামাতো ভাই নাসির উদ্দিনের ভাষ্য, নেশার টাকা না পেয়ে রুহুল চম্পাকে পিটিয়ে মেরেছেন। রুহুলই চম্পার মুখে কীটনাশক ঢেলে দিয়ে হত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করেছেন।
উপজেলার আব্দুলপুর পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বরত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক আনিসুর রহমান জানান,নিহত ওই নারীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় রুহুলকে আটক করেছে পুলিশ।
ঢাকা, ১২ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ





