রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলায় অবস্থিত রাইখালী কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকান ড্রাগন ফলের চাষ হচ্ছে। লাভজনক হওয়ায় এ ফলের আবাদ বাড়ছে। কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বাগানে অসংখ্য লাল টকটকে ড্রাগন ফল দেখা গেছে।

রাইখালী কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. হারুনর রশীদ বলেন, শতাধিক গাছ রয়েছে বাগানে। প্রতিটি গাছের শাখায় শাখায় ফল ধরেছে।
তিনি বলেন, সাধারণত ড্রাগন ফল গোলাকার, হাল্কা গোলাপী রঙের আবরণ এবং ভেতরে গাঢ় গোলাপী রঙের শাঁস হয়। প্রতিটি ফলের ওজন প্রায় ৪ থেকে ৫শ' গ্রাম পর্যন্ত হয়। ফলের প্রায় ৮১ ভাগ খাদ্য উপযোগী হয়। বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ এবং ভিটামিন-সি যুক্ত ও ক্যান্সার প্রতিরোধ উপাদানযুক্ত এ ফল।

ড্রাগন ফলের চাহিদা বাংলাদেশে ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ স্বল্প মিষ্টির ড্রাগন ফল শরবত তৈরি ও শুধু ফল কেটে খাওয়া যায়। চট্টগ্রাম ও ঢাকায় প্রতি কেজি ড্রাগন ফল ১৬শ' টাকায় বিক্রি হয়। আমাদের দেশে রাঙ্গামাটিতে প্রথম ড্রাগন ফলের চাষ শুরু হয় বলে জানা গেছে।

ড্রাগন গাছে সাধারণত রোগবালাই হয় না। তবে ফল পাকলে বাদুড়ের আক্রমণ হতে পারে। তখন জাল দিয়ে বাগান ঘিরে রাখলে বাদুড়ের উপদ্রব থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

ঢাকা, ১২ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই