অব্যাহত বর্ষনে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের দশ গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়ায় সেখানকার এক হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। গৃহহীন প্রায় অর্ধশতাধিক পরিবার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিয়েছে।

এদিকে মেরুং বেইলি ব্রীজ পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় দীঘিনালার সঙ্গে রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তবে খাগড়াছড়ি জেলা সদরে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

টানা চারদিনের প্রবল বর্ষণে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে দীঘিনালা উপজেলার মেরুং বাজার, সোবানপুর, হাজাছড়া, ছোট মেরুং, বাদলছড়ি, বড় মেরুং, জালবান্দা, মেরুং পাড়া, বাঁচা মেরুং ও বেতছড়ি এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

এ ছাড়া খাগড়াছড়ি পৌর এলাকার শান্তিনগর, গঞ্জপাড়া, মুসলিমপাড়া আনন্দনগর, সিঙ্গিনালা ও শ্মশানঘাটসহ অন্তত ৮ গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় সেখানকার প্রায় ৩ শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ফজলুল জাহিদ পাভেল জানান, বন্যা দুর্গতদের জন্য প্রাথমিকভাবে তিন মেট্রিক টন চাল বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও বরাদ্ধ দেয়া হবে বলেও তিনি জানান।

দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন জানান, দ্বিতীয়বারের মতো ফের বন্যায় মেরুংয়ে মানুষের পাশাপাশি এবার আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ভেসে গেছে শত শত পুকুরের মাছ। তবে দুর্গতদের জন্য যে পরিমাণ ত্রাণ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে তিনি অভিযোগ করেন।

ঢাকা, ১৫ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এআর