‘তেজগাঁও ট্রাক স্ট্যান্ডে সংঘর্ষের সময় শ্রমিকদের ওপর পুলিশ কোনো গুলি করেনি। তাদের ইটের আঘাতেই দুজন শ্রমিক আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।’
রোববার ট্রাক স্ট্যান্ডে সংঘর্ষের সময় মেয়র আনিসুল হক অবরুদ্ধ থেকে মুক্ত হওয়ার পর তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
শ্রমিকদের আটকের বিষয়ে উপকমিশনার বলেন, কাউকে আটক করা হয়নি। শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেই সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, একজন শ্রমিক নিহত হয়েছেন, এমন গুজব ছড়ানো হলে শ্রমিকরা উত্তেজিত হয়ে রাস্তায় নামে। এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা।
এটি ভুল বোঝাবুঝি থেকে হয়েছে। পরে শ্রমিকদের শান্ত করা হয়। আসলে তাদের কেউ মারা যায়নি।
এর আগে উপকমিশনার বিপ্লবের নেতৃত্বেই র্যাব ও পুলিশের একটি দল মেয়র আনিসুল হককে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত করে গাড়িতে তুলে দেন।
তার আগে বেলা সোয়া ২টার দিকে তেজগাঁও ট্রাক স্ট্যান্ডে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে গিয়ে হামলার শিকার হন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক।
পরিস্থিতি দেখে রেলমন্ত্রী সেখান থেকে সটকে পড়েন। আর আনিসুল হক ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান মালিক-শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে অবস্থান নেন। পরে তাকে শ্রমিকরা অবরুদ্ধ করে রাখে।
ট্রাক স্ট্যান্ড আগের স্থানে বহাল রাখাসহ ভাঙচুর হওয়া গাড়িগুলো মেরামত ও আহতদের চিকিৎসার দাবি জানান শ্রমিকরা।
এসএইচ





