ইডেন যেকোনো ধরনের মৃত্যুদণ্ডের বিপক্ষে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সফররত সুইডেনের আইন ও অভিবাসনবিষয়কমন্ত্রী মর্গান জোহানসন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ কথা জানান সুইস মন্ত্রী।
জোহানসন বলেন, বাংলাদেশ ও সুইডেন বন্ধুপ্রতিম দেশ। বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি, ব্লগার হত্যা, আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক সম্পর্কগুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখে সুইডেন।
এ ছাড়া গত কয়েক বছরে ব্লগার হত্যার বিষয়ে সুইডেনের এ মন্ত্রী জানান, ব্লগার হত্যার বিষয়ে সুইডেন উদ্বিগ্ন। এসব বিষয় নিয়ে বাংলাদেশের আইনমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সুইডেন বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করছে। বাংলাদেশের উচিত মতপ্রকাশের ক্ষেত্রকে আরো প্রশস্ত করা।
সম্প্রতি এক ব্লগার সুইডেনে যাওয়ার ভিসা আবেদন করলে সুইস দূতাবাস তা বাতিল করে দেয়। এ বিষয়ে সুইডেন অনুতপ্ত কি না, জানতে চাইলে জোহানসন বলেন, ‘আমি কোনো একক বিষয়ে অবগত নই। সামগ্রিক বিষয়টি আমরা মূল্যায়ন করছি।’
এদিকে সংবাদ সম্মেলনে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ আইনে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে নতুন যে আইনগুলো করা হচ্ছে এ আইনগুলোতে যাতে মৃত্যুদণ্ডের বিধান না থাকে সে বিষয়ে সরকার সচেষ্ট। বর্তমানে যেসব অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হচ্ছে এ বিচারগুলো হচ্ছে বিদ্যমান আইনে। এটা আমাদের আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কাজেই মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকর আইনসঙ্গতভাবেই হচ্ছে।’
ব্লগার হত্যার বিষয়ে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘যে হত্যাকাণ্ডগুলো ঘটেছে তা দুঃখজনক। এগুলো সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত ও অনুসন্ধান করছে। অপরাধীদের আইনে আওতায় আনা হচ্ছে। তারা কোনোভাবেই ছাড় পাচ্ছে না।’
এ ছাড়া সুইডেনের বাংলাদেশের মানবাধিকার বিষয়ে উদ্বিগ্নতার বিষয়ে তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের একটি স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন রয়েছে। মানবাধিকারের বিষয়ে মানবাধিকার কমিশন কাজ করছে। আর মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতির বিষয়ে সরকার ও এর সঙ্গে জড়িত সংস্থাগুলো কাজ করছে।’
এমআর





