বেনাপোল স্থলবন্দরের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই দল শ্রমিকের মধ্যে সংঘর্ষে দুই শ্রমিক মারাত্মক আহত হয়েছেন। এ নিয়ে বন্দর এলাকায় টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সকাল থেকে বন্দরের অভ্যন্তরে লোড-আনলোড বন্ধ রয়েছে। ক্ষমতাসীন দলের এমপি এবং মেয়র পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে বেনাপোল স্থলবন্দরের শ্রমিকদের দুটি গ্রুপ নিয়ন্ত্রণ করে।

গত ডিসেম্বরে বন্দরের ঠিকাদারি কাজ পেয়েছে এমপি পক্ষের লোকজন। কিন্তু মেয়র পক্ষের লোকজন কাজ চালিয়ে আসছিল।

মঙ্গলবার সকাল দশটার দিকে পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই এমপি পক্ষের লোকজন অতর্কিত হামলা চালিয়ে মেয়র গ্রুপের শ্রমিক অফিস ভাংচুর করে তাদের বন্দর এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেয় এবং মেয়র গ্রুপের দুইজন আহত হয়। 

বন্দর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় মুহূর্তে বন্দর এলাকায় সব ধরনের যান চলাচল, স্কুল কলেজ এবং কাস্টম অফিস বন্ধ হয়ে যায়।

পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে সক্ষম হলেও বন্দরের কাজকর্ম বন্ধ রয়েছে। এ ঘটনার পর শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ নুরুজ্জামান ও যুবলীগের সভাপতি অহেদুজ্জামানের বাড়িতে সন্ত্রাসীরা কয়েকটি বোমা নিক্ষেপ করে। বোমা হামলার জন্য মেয়র গ্রুপের লোকজনকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে।

বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি অপূর্ব হাসান জানান,বন্দর এলাকায় সব কিছু স্বাভাবিক রয়েছে এবং ২টি বোম পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে এখন পরিবেশ শান্ত রয়েছে।

নাছির/এমআর