পাথরঘাটা থেকে ৬০ কিলোমিটার দুরে বঙ্গোপসাগরে ট্রলারে ডাকাতি করার সময় জেলেরা জলদস্যুর ট্রলারকে লক্ষ করে পাথর নিক্ষেপ করে ১৫ জলদস্যুকে আটক করেছে। তাদেরকে পাথরঘাটা থানায় সোপার্দ করা হয়েছে।

জলদস্যুদের কাছ থেকে ডাকাতি কাজে ব্যাবহৃত দেশীয় তৈরী ধারালো ১১টি রামদা/স্যানা, ৫টি কাঠের তৈরী মুগুর, ২টি লম্বা হুক উদ্ধার করা হয়েছে।

পাথরঘাটা কোস্টগার্ড ষ্টেশন কমান্ডার লে. রাহাতুজ্জামান জেলেদের বরাত দিয়ে জানান, বুধবার দিবাগত রাত ১১টার সময় সাগরের জলদস্যু চলা বাহিনী চট্টগ্রামের বাঁশখালী এলাকার রহিম সওদাগরের মালিকানাধীন এফবি আল মক্কা ট্রলার নিয়ে পাথরঘাটার এফবি মা ট্রলারে ডাকাতি করে এসময় মোবাইল ফোনে খবর পেয়ে এফবি মহসিন আউলিয়া এবং এফবি মায়ের দোয়াসহ ৪/৫টি ট্রলার এগিয়ে আসলে জলদস্যুরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে জেলেরা একাত্রিত হয়ে ট্রলারে থাকা পাথর নিক্ষেপ করে এবং জলদস্যুদের ধাওয়া করে। এসময় সাগরে টহলে থাকা কোস্টগার্ড বাহিনীকে খবর দিলে তারা স্পিডবোড সামনে দিয়ে ব্যারিকেট দিয়ে ট্রলারসহ ১৫ জলদস্যুকে আটক করে।

আটক জলদস্যুরা হলেন, বরগুনা সদর উপজেলার নলটোনা গ্রামের মফেজ মোল্লার ছেলে আবুল বাসার, ফেকুয়া কক্সবাজারের করিমদারের ছেলে হামিদ আলী, বাঁশখালী সিদ্দিপাড়ার মোঃ হোসেনের ছেলে ফারুক, বাঁশখালী বাহার চরা গ্রামের আলী আহম্মেদ মুন্সীর ছেলে নেছারুল, রামগতি চরকলাকোপা গ্রামের নুরুল হকের ছেলে বশির, বাঁশখালী আঃ রহমানের ছেলে ওয়াসিম, ভোলা দৌলত খান ভবানীপুর গ্রামের কাঞ্চনের ছেলে নুরনবী, রামগতি আশ্রম গ্রামের শাজাহানের ছেলে নজরুল ইসলাম, বাউফল দলাপাড়া গ্রামের নজরুলের ছেলে মুরাদ, রামগতি চর হাচন হোচেন গ্রামের মেজবা উদ্দিনের ছেলে আহাদ, বাশখালী শেকেরকিন গ্রামের রহমানের ছেলে জুনু, বরিশাল দক্ষিনপুর্ব সাগইস্যা গ্রামের মালেকের ছেলে সিদ্দিক, বান্দরবনের লামা দক্ষিন হায়দার নাশি গ্রামের আহম্মদের ছেলে মনঞ্জুরুল, চট্টগ্রাম পাহাড়তলী ভারাটি গ্রামের উকিন্দ্র দাসের ছেলে লক্ষনদাস এবং লক্ষীপুর কমলনগর চরজগবন্ধ গ্রামের আয়তন চৌকিদারের ছেলে ইব্রাহীম।

পাথরঘাটা থানার ওসি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,বৃহস্পতিবার দুপুরে কোস্টগার্ড জলদস্যুদের আমাদের কাছে হস্তান্তরের পর তাদেরকে কোর্টে পাঠানো হয়েছে।
জেআই