মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে ডিএনসিসি নগর ভবনে আয়োজিত কোরবানির ঈদে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
তিনি বলেন, সরকারের নির্ধারিত ১২ ঘণ্টার আগেই কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করে নগরবাসীকে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ উপহার দিতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সারা দেশে কোরবানির পশুর হাট, চামড়া ব্যবস্থাপনা, যানজট নিরসন ও বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম তদারকি করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী সিটি করপোরেশনগুলোকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ডিএনসিসির প্রস্তুতি দেখে আশা করা যায় নির্ধারিত সময়ের আগেই নগরবাসী পরিচ্ছন্ন ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ পাবে।
বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা নিরসনে নগরবাসীর সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি। জানান, অতিবৃষ্টির সময় দ্রুত পানি নিষ্কাশনে কুইক রেসপন্স টিম ও ড্রেনেজ টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, আমিন বাজার ল্যান্ডফিলে দ্রুত বর্জ্য খালাস নিশ্চিত করতে নতুন সংযোগ সড়ক, প্ল্যাটফর্ম ও ট্রেঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া ডিজিটাল ওয়েব্রিজের মাধ্যমে রিয়েল-টাইম ট্রিপ মনিটরিং ব্যবস্থাও চালু রাখা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, নগরবাসীর মধ্যে ইতোমধ্যে ১৬ লাখ ৩০ হাজার পলিব্যাগ বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ৩ হাজার ৬০০ বস্তা ব্লিচিং পাউডার, ১ হাজার ৩৪৮ ক্যান ফিনাইল এবং ৩ হাজার ৯০০ ক্যান স্যাভলন বিতরণ করা হয়েছে।
জনসচেতনতা বাড়াতে শহরজুড়ে মাইকিং, ডিজিটাল বিলবোর্ডে প্রচারণা, ৫০ হাজার লিফলেট বিতরণ ও মোবাইল এসএমএস প্রচারণাও চালানো হচ্ছে। এছাড়া মসজিদের ইমামদের মাধ্যমে জুমার খুতবায় পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
সভায় ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরীসহ বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এস