যশোরে পুলিশের গুলিতে আহত হাফিজুর রহমান শনিবার রাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা গেছেন। দীর্ঘ নয় দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন হাফিজুর। নিহত হাফিজুর যশোর শহরের বারান্দিপাড়ায় থাকতেন। তার বাবার নাম হারুন মিস্ত্রি।

হাফিজুরের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে যশোর পুলিশের মুখপাত্র সহকারী পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন। তিনি জানান, যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতাল থেকে হাফিজুরকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় শনিবার সন্ধ্যায় মারা যান হাফিজুর।

ছিনতাইকারীর নাটক সাজিয়ে ১৩ নভেম্বর যশোরে নিরীহ দুই যুবককে গুলি করে কোতয়ালি থানা পুলিশ। এসআই সোয়েবের নেতৃত্বে ১০/১২ জনের পুলিশের একটি টিম ওই রাতে শহরতলীর বাহাদুরপুর পশ্চিমপাড়ার বাড়ি থেকে মিজান ও শহরের বারান্দিপাড়া থেকে হাফিজুরকে ধরে আনে। এরপর তাদেরকে শহরের বাদশা ফয়সাল স্কুলের পাশে নিয়ে ছিনতাইকারী সাজিয়ে পায়ে গুলি করে।

ঘটনাটি পত্রপত্রিকা ও টিভিতে প্রকাশিত হওয়ার পর ১৭ নভেম্বর রাতে ঢাকা থেকে আইন ও শালিস কেন্দ্রের দুই কর্মকর্তা যশোর আসেন তদন্তের জন্য।

ইআর