হরতাল ও অবরোধে দিনে-দুপুরে পণ্যবাহী গাড়িবহরে বোমা হামলা চালিয়েছে মুখোশধারীরা।
বৃহস্পতিবার দুপর পৌনে একটার দিকে মহানগরীর বর্ণালির মোড় থেকে কাদিরগঞ্জ দড়িখরবোনা মোড় পর্যন্ত এ হামলার ঘটনা ঘটে।
মাত্র ৫ থেকে ৭ মিনিটের মধ্যেই পণ্যবাহী ট্রাকে পোট্রোল বোমা, ৮ থেকে ১০টি বোমার বিস্ফোরণ ও দোকানপাট ভাঙচুর করে কিশায় করে চলে যায় তারা। বোমার স্প্লিন্টারের আঘাতে কাজিম (২৫), তার বড় ভাই মাসিম (৪০) নামে দুই প্রেস কর্মচারীসহ উপশহর এলাকা আবদুর রশিদ (৩৮) নামে তিনজন আহত হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম দু’জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এছাড়াও বোমার আঘাতে মহানগরীর কাদিরগঞ্জ এলাকার উত্তরণ প্রেসের সার্টারগেট ফুটো হয়ে গেছে এবং শোরুমের কাঁচ ভেঙে গেছে। ঘটনার খবর পেয়ে সামনে থাকা বিজিবি, র্যাব ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও তারা কাউকে সেখানে পায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই এলাকা দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাহারায় পণ্যবাহী গাড়িবহর অতিক্রমের সময় মুখোশধারী ক্যাডাররা মুহূর্তের মধ্যেই ৮ থেকে ১০টি বোমা ছুঁড়ে মারে। এ সময় একটি পেট্রোল বোমাও নিক্ষেপ করা হয়। তবে বোমাটি বিস্ফোরিত হলেও বাতাসে সে আগুন নিভে যায়।
তারা ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় দড়িখরবোনা মোড়ের দুইটি চায়ের স্টল ভাঙচুর করে এবং আশা নামে একটি সেলুনের চেয়ার পুড়িয়ে দেয়। এ সময় বিজিবি, র্যাব ও পুলিশ সামনে থেকে পেছনে গেলেও কয়েক মিনিটের নাশকতা চালিয়ে হামলাকারীরা অনায়েসেই পালিয়ে যায়। এতে সেখানে তারা কাউকেই পায়নি। বোমা বিস্ফোরণের পর গাড়িবহরটি দ্রুত ওই এলাকা ছেড়ে চলে যায়।
ঘটনার পর মহানগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) মাহমুদুর রহমান জানান, হামলার পরপরই অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এ ঘটনায় র্যাব বা বিজিবির কোনো সদস্য বা গাড়িবহরে থাকা কেউ আহত হয়নি। তারা দ্রুত পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা যায়নি। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটকের জন্য বর্তমানে ওই এলকায় পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।
জেআই





