কলেরার প্রাদুর্ভাব থেকে রক্ষা করতে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। প্রথম দিনেই ৮৮ হাজার রোহিঙ্গাকে টিকা দেওয়া হয়।

আগামী সাড়ে তিন সপ্তাহে সাড়ে ছয় লাখ রোহিঙ্গাকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। টিকাদানের দ্বিতীয় ধাপ আগামী নভেম্বরে শুরু হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে এক থেকে পাঁচ বছরের প্রায় আড়াই লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), ইউনিসেফ এবং বেশ কয়েকটি এনজিওর সহযোগিতায় বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

কক্সবাজারে শুরু হওয়া কলেরার টিকাদান কর্মসূচি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম টিকাদান কর্মসূচি হিসেবে পালন করা হচ্ছে। এর আগে গত বছর হাইতিতে এ রকম টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

যেখানে টিকা দেওয়া হয় সর্বোচ্চ প্রায় নয় লাখ হাইতিয়ানকে। সারা বিশ্বে কলেরায় আক্রান্ত হয়ে প্রতিবছর ৯৫ হাজার মানুষ মারা যায়। আর এই রোগে আক্রান্ত হয় প্রতিবছর প্রায় ২৯ লাখ মানুষ।

এখন পর্যন্ত কলেরায় আক্রান্ত হয়ে কোনো রোহিঙ্গার মারা যাওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। ডব্লিউএইচও বলছে, কমপক্ষে ১০ হাজার ২৯২টি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোহিঙ্গাকে তারা চিহ্নিত করেছে, যাদের মধ্যে কলেরার উপসর্গ রয়েছে। তাই কলেরার প্রাদুর্ভাব ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ার আগে তা প্রতিরোধে এ ধরনের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।
জেড