নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বারদী ইউনিয়নের মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নুরেরটেক এলাকার রঘুনারচর এলাকায় নতুন করে গ্রাম ভাঙ্গনের সৃষ্টি হচ্ছে। চরম উৎকন্ঠায় নুরেরটেক এলাকার রঘুনারচর গ্রামবাসী।
ভাঙ্গন ঠেকাতে নুনেরটেক গ্রামের কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা নিরীহ গ্রামবাসীদের নিয়ে দিনের আলোয় আন্দোলন করে আর রাতের অন্ধকারে বালু উত্তোলনকারীদের নিয়ে গোপন বৈঠক করে বালু উত্তোলন করার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন।
বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী গত (১৯ নভেম্বর) অভৈধ বালু উত্তোলনকারীদের প্রতিহত করতে গেলে বালু সন্ত্রাসীরা তাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে আগ্নোয়াস্ত্র, টেঁটা, বল্লম, লাঠিসোটা ও ইটপাটকেল দিয়ে হামলা করে নুনেরটেক রঘুনার চর গ্রাামের ইমাম উদ্দিনের ছেলে দিলবর হোসেন সহ ১০ জনকে আহত করেন।
এ ঘটনায় বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ৬ জনের নামে সোনারগাঁ থানায় একটি মামলা হয়েছে।
সোনারগাঁ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় এমভি মাতাব্বর ড্রেজিং, মা বাবার দোয়া, এমভি জিন্নাত ও এশিয়া সুপার নামের ৪ টি ড্রেজার আটক করে নিয়ে আসে।
এলাকাবাসীরা জানান, উপজেলার বারদী ইউনিয়নের মেঘনা নদীর নুনেরটেক রগুনারচর এলাকায় পার্শ¦বর্তী কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ সরকারের সহযোগী মানিক মিয়া, মনোয়ার হোসেন মনা, শাহপরান, আনোয়ার হোসেন, জাহাঙ্গীর ও মোশারফ আবারো অবৈধভাবে ২০-২৫টি ড্রেজারের মাধ্যমে লাখ লাখ ঘনফুট বালু উত্তোলন করে নিয়ে যাচ্ছে।
এ দিকে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে বালু উত্তোলন নুনেরটেক গ্রামের জাকারিয়া ভুইয়া, আবুল হাসেম, আব্দুল লতিফ, চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা নলচর গ্রামের সানা উল্লাহ, বালু খেকো লতিফ চেয়ারম্যান, বারদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জহিরুল হক এর ভাই তাজুল মেম্বার সহ ১০/১২ জন নেতা আবারো বালু উত্তোলন শুরু করেছে। প্রতিদিন রাতে ২৫ থেকে ৩০টি ড্রেজার দিয়ে চলছে মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন।
শাহ জালালি/এমএম





