রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছ ইউনিয়নের পল্লীমারী গ্রামের মৃত আঃ জব্বার এর কন্যা ফরিদা বেগম যৌতুকের শিকার হয়ে বর্তমানে কাউনিয়া হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
কাউনিয়া থানায় লিখিত অভিযোগে জানাগেছে পল্লীমারী গ্রামের ছবির আলীর পুত্র হাছেন আলীর সাথে গত ২৯ মার্চ ফরিদার বিয়ে হয়। বিয়ের প্রথম মাস বেশ ভালই কাটে তাদের দাম্পত্ত জীবন। এর পর শুরু হয় শশুর শাশুরীর প্রচনায় স্বামী কর্তৃক নির্যাতন।
প্রতিরাতে তাকে বলে বাবার বাড়ি থেকে টাকা আনতে। প্রথম দফায় কয়েক বার বিধবা মায়ের কাছ থেকে বেশ কিছু টাকা এনে দেয় ফরিদা। যৌতুক লোভী হাছেন এর লোভ আরও বেড়ে যায়। পুনরায় ফরিদাকে টাকা আনতে বললে সে টাকা আনতে অস্বিকার করলে শুরু হয় আবার নির্যাতন।
নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে জরিনা তার মায়ের কাছে চলে যায় এবং বিজ্ঞ আদালতে একটি যৌতুক মামলা দায়ের করে। মামলা দায়ের করার পর হাসেন শুকৌশলে ফরিদার সাথে মোবাইলে কথা বলে আর নির্যাতন করবে না বলে তার মন গলিয়ে তাকে বাড়িতে নিয়ে যায় এবং মামলা তুলে নিতে বলে।
মামলা তুলতে ফরিদা রাজি না হলে ঘটনার দিন ২৭ জুন রাতে হাসেন আলী ও তার পিতা মাতা,ভাই বোন সকলে মিলে তাকে বেদম প্রহার করে তার সুন্দর মুখ খানা আচর দিয়ে নষ্ট করে এবং ধারাল ছোরা দিয়ে শরিরের বিভিন্ন স্থানে জখম ও বাম হাতের বাহু কেটে দিয়ে যখন সে অজ্ঞান হয়ে যায় তখন তাকে বাড়ির পার্শ মন্তাশ আলীর জমির আইলে ফেলে চলে যায়।
সকালে মন্তাজ আলী জমিতে গিয়ে ফরিদা কে অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পেয়ে তার মাকে খবর দিলে তাকে উদ্ধার করে কাউনিয়া মেডিকেলে ভর্তি করে। বর্তমানে ফরিদা মেডিকেলে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
আর যৌতক লোভি হাসেন গং প্রকাশ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং ফরিদার মা এবং বোন কে মামলা তুলে নিতে বলছে। তা নাহলে ফরিদা কে জানে মেরে ফেলবে বলে হুমকি অব্যহত রেখেছে।
এসএইচ





