বয়স আনুমানিক ২৩ বছর। কথা-বার্তা আর কাজ-কর্মে ঠিক ঠাক। তবে নিজের নাম-পরিচয় বলতে পারেন না এই তরুণী। অচেনা এই তরুণীকে নিয়ে বিপাকে পড়েছেন গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের সাপমারা গ্রামের আশ্রয় দানকারি একটি পরিবার।

সাপমারা দারুস সালাম মাদরাসা মাঠের এক কোনায় বাসে থকতে দেখে প্রায় ১৭ দিন আগে রাতে ওই গ্রামের দারাজ আলীর স্ত্রী জামিরন বেগম নিজ বাড়ীতে আশ্রয় দেন। তারা ভেবেছিলেন সকাল মহিলাটি তার নিজ বাড়ী ফিরে যাবেন। কিন্তু পরদিন ওই মহিলাকে জিজ্ঞাসা করে বুঝতে পারেন তার নিজের নাম ঠিকানা কিছুই মনে নেই। এরপর থেকে নাম-পরিচয় হীন অজ্ঞাত ওই তরুণীকে নিয়ে বিপাকে পড়েছে দারাজের পরিবার।

দারাজ জানান, নিজের আয়ে কোন রকমে সংসার চলে তার। কিন্তু সংসারে নতুন করে অনাকাংখিত এই তরুণী অতিথির আগমন ও তার খোরপোষ চালানো তাকে বেশ সমস্যায় ফেলেছে। শুধু দারাজ আলীই নয়, নাম পরিচয়হীন ওই তরুণীকে নিয়ে কোন আইনী জটিলতায় পরতে হয় এই ভেবে দুশ্চিন্তায় পরেছে পুরো এলাকাবাসী।

তরুণীর গায়ের রং কালো। পরিষ্কার কথা বলতে পারলেও তার নিজের সম্পর্কে কোন কথাই মনে করতে পারেন না। তার পরনে প্রিন্টের স্যালোয়ার কামিছ রয়েছে। এমতাবস্থায় দারাজ মহিলাটিকে উদ্ধার করে তার স্বজনের কাছে ফিরে দিতে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন।

টিএইচ/ এআর