গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী প্রকৌশলী মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ভূমিকম্প সহনশীল ভবন নির্মাণে ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড মানা জরুরী। একই সঙ্গে ভবন নির্মাণে রেট্রোফিট টেকনোলোজি ব্যবহার করা প্রায়োজন। কিন্তু অধিকাংশ ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রেই ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড মানা হয় না।

শনিবার রাজধানীর একটি হেটেলে ‘জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সী-জাইকার সহযোগিতায় এবং পি ডব্লিউ ডি’র উদ্যোগে আয়োজিত ”ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে রেট্রোফিটিং ব্যবহার ও নিরাপদ শহর নিশ্চিতকরণ” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ অভিমত ব্যাক্ত করেন।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. গোলাম রাব্বানীর সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন জাইকার বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের প্রধান মিকিও হাতায়েদা, পিডব্লিউডি’র প্রধান প্রকৌশলী কবির আহমেদ ভূঁইয়া ও সিএনসিআরপি’র প্রকল্প পরিচালক মো.আব্দুল মালেক শিকদার।

মন্ত্রী প্রকৌশলী মোশাররফ হোসেন বলেন, প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ ইতিমধ্যে বিশ্বের কাছে মডেল হয়ে আছে। এদেশের মানুষ সাইক্লোনের মত বড় ধরনের প্রাকৃতিক দূর্যোগ খুব সহজেই মোকাবেলা করছে। জাইকা ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞদলের প্রধান ফুমিও কানেকো বলেন,বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম প্রধান ভূমিকম্পের ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হওয়া সত্ত্বেও এদেশের অধিকাংশ মানুষই জানেন না ভূমিকম্পের সাবধানতা, ভয়াবহতা এবং ভূমিকম্প পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয় সম্পর্কে।

গণপূর্ত বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও সিএনসিআরপি’র প্রকল্প ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মো. আব্দুল মালেক সিকদার বলেন, রেট্রোফিটিং এমন একটি প্রযুক্তি যা দিয়ে কোন ঝুঁকিপূর্ণ ভবন না ভেঙ্গে সেটাকে শক্তিশালী করে ভূমিকম্প সহনশীল করা সম্ভব।

তিনি বলেন, ঢাকার মত নগরী যেখানে অসংখ্য ভবন ঝুঁকিপূর্ণ সেখানে রেট্রোফিটিং পদ্ধতিই কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। ভূমিকম্পসহ নানা প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবন না ভেঙ্গে রেট্রোফিট টেকনোলোজি ব্যবহার করা গেলে ৬০ থেকে ৭০ ভাগ আর্থিক খরচ কমানো সম্ভব।

ঢাকা, একে, ৬ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এআর