বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের ধার্যকৃত উচ্চ বেতনকে বৈধতা দিতেই তার উপর ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ ছাত্র মিশন নামের একটি সংগঠন।
শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত এক মানব বন্ধনে এমন কথা বলেছে তারা।
সরকার বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের বেতনের উপর সাড়ে ৭ শতাংশ হারে ভ্যাট আরোপ করেছে সরকার। এর বিরোধিতা করে দীর্ঘ দিন ধরে আন্দোলন করে যাচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীরা।
এদিন আয়োজিত মানববন্ধনে সংগঠনটির সভাপতি কামরুল ইসলাম সুরুজ বলেন, সরকারের উচিত বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের বেতন ও ভর্তি ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া। কিন্তু উল্টো তারা ভ্যাট আরোপ করে শিক্ষা বেনিয়াদের লাভের পরিমাণ বৃদ্ধির ব্যবস্থা করেছে। বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অমানবিক উচ্চ বেতনকে বৈধতা দিতেই সরকার এ ভ্যাট আরোপ করেছে।
সুরুজ বলেন, দেশে যথেষ্ট পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ সৃষ্টি করতে না পারা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। আর সে ব্যর্থতা ঢাকতেই বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর ভ্যাট চাপানো হয়েছে।
তিনি বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রকে যেখানে প্রতিমাসে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বেতন দিতে হয়, সেখানে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীকে প্রতিমাসে ১০ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা দিতে হয়। যা মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য কষ্টসাধ্য। হাতেগোনা কয়েকটি উচ্চবিত্ত পরিবার ছাড়া সবাইকে পরিবারের ব্যয় কমিয়ে এ বেতন পরিশোধ করতে হয়। অনেকে আবার টিউশনি ও খন্ডকালীন চাকরি করে বেতন পরিশোধ করে। বিষয়গুলো বিবেচনা করে সরকারের উচিত ভ্যাট প্রত্যাহার করা।
মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক জাবের হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আলী হোসেন রাসেল প্রমুখ।
এমএ/জেডআই





