গত কয়েকদিনের ভারীবর্ষণ আর পাহাড়ী ঢলে বন্যার পানিতে নেত্রকোণার দূর্গাপুরে পানি কিছুটা কমলেও কলমাকান্দায় পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন করে প্লাবিত হয়েছে বারহাট্রা উপজেলা ও নেত্রকোনার ২টি ইউনিয়ন। এছাড়া পূর্বধলা উপজেলার জারিয়া বেরীবাঁধ ভেঙ্গে বন্যায় প্লাবিত হয়েছে ৭০টি গ্রাম।

ফলে পানিবন্দী হয়েছে লক্ষাধিক মানুষ, বন্ধ করা হয়েছে স্কুল, কলেজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বন্যাদুর্গত এলাকায় উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নিয়েছে সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্যরা।

এদিকে দূর্গাপুর উপজেলার কুল্লাগড়া, গাঁওকান্দিয়া, কাকৈরগড়া, বাকলজোড়া, চন্ডিগড়, দূর্গাপুর, বিরিশিরি ইউনিয়নের সকল এলাকার বাড়িঘরে পানি ঢুকেছে। ফলে মুজিবনগর, চরমোক্তার পাড়া, বোকাইকান্দাসহ বিভিন্ন এলাকা ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে।

এছাড়াও কলমাকান্দা উপজেলার নাজিরপুর, লেংগুরা, খারনৈ, রংছাতি, পুগলা, কৈলাটি, বরখাপন ও সদর উপজেলাসহ সবকটি ইউনিয়নের গ্রামগুলি প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার প্রায় ২০ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ডুবে গেছে শত শত পুকুর ও মাছের ঘের।

ফলে বন্যাদুর্গত অনেকেই আশ্রয় নিয়েছে রাস্তায়।

পূর্বধলা উপজেলার জারিয়া বেরী বাঁধ ভেঙ্গে জারিয়া, ঘাগড়া, ধলামূলগাঁও, জামধলা ইউনিয়নের ৭০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, সোমেশ্বরী ও কংস নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ঢাকা, ২৪ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ