রেঞ্জের খুলনা ডিআইজি মনির-উজ- জামান বলেছেন, জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসবাদের বিষদাঁত ভেঙ্গে সমূলে উৎপাটন করা হবে। আমরা জানি কিভাবে দেশকে শাসন করতে হয়। যারা বাংলাদেশে পাকিস্থানি শাসন ব্যবস্থা আমদানি করতে চায় তাদের প্রশ্রয় দেয়া হবে না।
যারা বাংলাদেশে প্রেসক্রিপশন দিতে আসে, তাদের দেশে একজন মানুষ একসাথে পঞ্চাশ জনকে হত্যা করলেও প্রতিরোধ করতে পারে না। তারা আবার এইদেশে শান্তি কায়েম করার কথা বলে নড়াইলের লোহাগড়া পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ বিরোধী মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা গুলি বলে, জেলা পুলিশ ও সচেতন এলাকাবাসীর ব্যানারে আয়োজিত এ মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সেলিম রেজা।
বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত ডিআইজি একরামল হাবীব, পুলিশ সুপার সরদার রকিবুল ইসলাম, এস,পি(সার্কেল) মোঃ কামরুজ্জামান, লোহাগড়া উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ ফয়জুল আমীর লিটু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শিকদার আব্দুল হান্নানরুনু প্রমুখ।
এ সময় গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা অনলাইন মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি উজ্জ্বল রায়, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হিমেল মোল্যা, আলোকিত সংবাদের প্রতিনিধি বুলু দাস, সমাজের কাগজের আশরাফ উজ্জ্বল,, আলোকিত ডিআইজি আরও বলেন, দেশের অব্যাহত অগ্রযাত্রা সমুন্নত রাখতে গুপ্তহত্যা ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধে গড়ে তুলতে হবে। কতিপয় জ্ঞানপাপী বাঁশ ও বাঁশি নিয়ে অপব্যাখ্যা করছে।
তিতুমীরের আন্দোলন, ৭১’র মুক্তিযুদ্ধ ও এ অঞ্চলের চরমপন্থী প্রতিরোধে জনতা বাঁশের লাঠি হাতে তুলে নিয়েছিল। অতীতে বাঁশের লাঠি সন্ত্রাস ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। আলোচনা শেষে সমাবেশ অংশগ্রহণকারীদের হাতে বাঁশের লাঠি ও বাঁশি তুলে দেন প্রধান অতিথি ডিআইজি মনির-উজ- জামান। সমাবেশে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার প্রায় দশ হাজার লোকের সমাগম ঘটে।
এমআর





