রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যাল এবং মেডিক্যাল কলেজে বৈষম্য মূলক উপজাতি কোটা বাতিল করে পার্বত্য বাঙালিসহ অন্যান্য ক্ষুদ্র-নৃ গোষ্ঠীদের জন্য পার্বত্য কোটা চালু করার দাবিতে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো: ওয়াহিদুজ্জামান এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদ খাগড়াছড়ি জেলা শাখা।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের হাতে এই স্মারকলিপি তুলে দেন, পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সিনিয়র সহ সভাপতি মো. মাঈন উদ্দীন, জেলা সাধারণ সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর এসএম মাসুম রানা, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা কামাল প্রমুখ।
স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিক্যাল কলেজ পার্বত্য অঞ্চলের বসবাসরত সকল পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে দেশের অন্যান্য জেলার সাথে এগিয়ে নিতে এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে করা হলেও একটি জনগোষ্ঠি তথা চাকমারাই একপেশে নীতিতে সকল সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করছে।
অথচ এই চাকমাদের বিরোধিতার কারণে এখন পর্যন্ত স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ করা যাচ্ছে না । অথচ গত দুই বছরে শিক্ষার্থী ভর্তি, শিক্ষক নিয়োগ ও কর্মকর্তা নিয়োগে একমাত্র চাকমারাই একচেটিয়া সুবিধা নিচ্ছে। বৈষম্যমূলক উপজাতি কোটা চালু থাকলেও পার্বত্য অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া বাঙালিদের জন্য কোন প্রকার কোটা বরাদ্দ রাখা হয়নি। অথচ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়েও পার্বত্য বাঙালিদের জন্য কোটা বরাদ্দ রয়েছে ।
স্মারকলিপিতে পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে এখানে ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষ হতে উপজাতি কোটার পাশাপাশি পার্বত্য বাঙালিদের ও অন্যান্য ক্ষুদ্র জাতি সত্তাগুলো জন্য পার্বত্য কোটাসহ অন্যান্য নিয়োগে জনসংখ্যানুপাতে সমান সুযোগ-সুবিধা প্রদানের দাবি জানানো হয়।
স্মারকলিপি প্রদান কালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. পারভেজ আহম্মেদ, জেলা দপ্তর সম্পাদক বাবু মৃদুল বড়ুয়াসহ বাঙালি ছাত্র পরিষদের খাগড়াছড়ি কলেজ শাখা ও পৌর শাখার বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ ।
আবু বকর ছিদ্দিক/জেড





