ইউএসএ ও অস্ট্রেলিয়ার দুই বিজ্ঞানীর এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লা পরিবহনের জন্য যে ড্রেজিং করতে হবে, এতে ওই এলাকার মাছ’সহ জলজ প্রাণীদের বৃদ্ধি ও বেঁচে থাকা হুমকিতে পড়বে।
আজ শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচার থিয়েটার ভবনে এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটি ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)।
দুই বিদেশি বিজ্ঞানী ‘রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহার্য কয়লা পরিবহন ও নদী ড্রেজিং পরিকল্পনার পরিবেশগত প্রভাব’ শীর্ষক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বিষয়টি উল্লেখ করেন। তাঁরা হলেন-ইউএসএ’র মন্টানা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইলিয়াম ক্লায়েন্ডল ও অস্ট্রেলিয়ার জন ব্রুডি। ওই প্রতিবেদনে আরও বেশ কিছু প্রভাবের কথা বলা হয়।
আর্ন্তজাতিক বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বঙ্গোপসাগর ও পশুর নদীতে ড্রেজিংয়ের ফলে সৃষ্ট পরিবেশের ওপর হুমকিগুলো পর্যাপ্তভাবে মূল্যায়ন করেনি এবং ঐ হুমকিগুলি নিরসন ও হ্রাসে পর্যাপ্ত পরিকল্পনা করেনি। কয়লা পরিবহনের জন্য গভীর চ্যানেল তৈরী করতে ৩৩মিলিয়ন টন পলি-কাদা বঙ্গোপসাগর ও পশুর নদী হতে ড্রেজিং করা হবে। ড্রেজিং করা ও পলি-কাদার ডিজপোজাল সুন্দরবনের খাড়ি ও বঙ্গোপসাগরের পানি ঘোলা করবে,ফলে আলো প্রবেশ করবে না এবং খাদ্য চক্রের ভিত্তি ফাইটোপ্লাঙ্কটন জন্মাতে বাঁধা সৃষ্টি করবে। সরকার ড্রেজিং করা পলি-কাঁদা কোথায় ডাম্পিং করবে তা সুনিদিষ্ট করেনি এবং জলজ প্রজাতিসমুহের ওপর হুমকি মূল্যায়ন করা হয়নি।
অনুষ্ঠানে প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞ আনোয়ার হোসেন। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন অধ্যাপক এম এম আকাশ, বদরুল ইমাম, বাপার সাধারণ সম্পাদক আবদুল মতিন প্রমুখ।
এমবি





